মোহাম্মদ মাহামুদুল বিশেষ প্রতিনিধি।
কচুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি খায়েরুল আবদিন স্বপন দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে দলীয় নেতৃত্বে থেকে রাজনৈতিক অঙ্গনে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করেছেন। দীর্ঘ এই সময়ে তিনি নানা প্রতিকূল পরিস্থিতি, মামলা, হামলা, গ্রেপ্তার ও রাজনৈতিক চাপ মোকাবিলা করেও দলের কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। ফলে কচুয়ার রাজনীতিতে তিনি একজন পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক দুর্দিনে যখন অনেকেই মাঠের রাজনীতি থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন, তখনও খায়েরুল আবদিন স্বপন নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সংগঠনকে সচল রাখতে কাজ করেছেন। উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় সৃষ্টি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মনে করেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের কারণে তিনি কচুয়া উপজেলার রাজনীতিতে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে জানা গেছে।
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে খায়েরুল আবদিন স্বপনের নাম এখন ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে তাঁকে ঘিরে ইতিবাচক আলোচনা দেখা যাচ্ছে। সমর্থকদের দাবি, দলের জন্য দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও সংগ্রামের স্বীকৃতি হিসেবে এবার তাঁকে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে দেখতে চান তারা।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, কচুয়া উপজেলার রাজনৈতিক বাস্তবতায় খায়েরুল আবদিন স্বপন একজন পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য মুখ। দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় উপস্থিতি তাঁকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে অন্যতম আলোচিত ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।
তবে নির্বাচন সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক সমীকরণ ও দলীয় সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে কে হবেন চেয়ারম্যান পদে চূড়ান্ত প্রার্থী। তারপরও কচুয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে খায়েরুল আবদিন স্বপনকে ঘিরে আলোচনা দিন দিন আরও জোরালো হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।