মোঃ রেজাউল করিম, শান্তিগঞ্জ সুনামগঞ্জ,
ক্ষমতা নয়, মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়াই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য,
জীবনের সাফল্য কেবল অর্থ, বিত্ত কিংবা প্রবাসের আরাম-আয়েশে সীমাবদ্ধ নয়—প্রকৃত সার্থকতা লুকিয়ে থাকে মানুষের ভালোবাসা অর্জনে এবং অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর মধ্যেই। সেই বিশ্বাসকে হৃদয়ে ধারণ করে দীর্ঘ প্রবাসজীবনের স্বাচ্ছন্দ্য ছেড়ে নিজের জন্মভূমি শান্তিগঞ্জের মানুষের কল্যাণে জীবনের অবশিষ্ট সময় উৎসর্গ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রেজাউল কবির জায়গীরদার রাজা।
যুক্তরাজ্যে দীর্ঘদিন ধরে সফলভাবে বসবাস করলেও তাঁর হৃদয়ের স্পন্দন সবসময়ই ছিল প্রিয় মাতৃভূমি শান্তিগঞ্জকে ঘিরে। বিদেশের ব্যস্ততা কখনোই তাঁকে জন্মভূমির মানুষের সুখ-দুঃখ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারেনি। বরং প্রতিনিয়ত তিনি খোঁজ নিয়েছেন এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা, চিকিৎসা, সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং সাধারণ মানুষের জীবনমানের।
রেজাউল কবির জায়গীরদার রাজা বিশ্বাস করেন, জনপ্রতিনিধিত্ব কোনো পদ-পদবি নয়; এটি মানুষের প্রতি একটি পবিত্র আমানত। জনগণের বিশ্বাস, ভালোবাসা এবং আস্থাকে সম্মান জানিয়ে তিনি একটি মানবিক, দুর্নীতিমুক্ত, জবাবদিহিমূলক ও উন্নয়নবান্ধব শান্তিগঞ্জ গড়ে তুলতে চান।
তিনি বলেন,
মানুষের ভালোবাসা অর্জন করে মানবতার সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করেই বেঁচে থাকতে চাই। মানুষের কল্যাণে সামান্য অবদান রাখতে পারলেও সেটিই হবে আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন। কারণ পৃথিবীতে মানুষের জন্য করা একটি ভালো কাজই সবচেয়ে সুন্দর স্মৃতি হয়ে বেঁচে থাকে।
তিনি মনে করেন, একজন জনপ্রতিনিধির আসল পরিচয় তাঁর পদবি নয়, বরং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা। সুখে-দুঃখে, দুর্যোগে-দুর্বিপাকে, বিপদে-আপদে মানুষের হাত ধরে এগিয়ে যাওয়াই একজন প্রকৃত নেতার দায়িত্ব।
রেজাউল কবির জায়গীরদার রাজার স্বপ্ন—একটি আধুনিক, শিক্ষাবান্ধব, কর্মসংস্থানমুখী এবং প্রযুক্তিনির্ভর শান্তিগঞ্জ উপজেলা গড়ে তোলা। যেখানে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে যাবে প্রত্যন্ত গ্রামের প্রতিটি পরিবারে। কৃষক পাবেন ন্যায্য মূল্য, শিক্ষার্থীরা পাবে আধুনিক শিক্ষা, যুবসমাজ পাবে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ এবং অসহায় মানুষ পাবে সম্মান ও নিরাপত্তা।
দীর্ঘ প্রবাসজীবনে অর্জিত অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগকে তিনি শান্তিগঞ্জের উন্নয়নের জন্য কাজে লাগাতে চান। তাঁর বিশ্বাস, সৎ নেতৃত্ব, সুপরিকল্পনা এবং জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে শান্তিগঞ্জকে উন্নয়নের এক অনন্য মডেলে পরিণত করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন,
লন্ডনে জীবনের একটি বড় সময় কেটেছে। এখন জীবনের বাকি সময়টুকু আমার প্রিয় জন্মভূমির মানুষের মাঝেই কাটাতে চাই। মানুষের হাসি-কান্নার অংশীদার হতে চাই। তাদের ভালোবাসা নিয়েই আমার জীবনের শেষ অধ্যায় লিখতে চাই।
স্থানীয়দের মতে, রেজাউল কবির জায়গীরদার রাজা একজন বিনয়ী, শিক্ষিত, মানবিক ও সমাজসেবামুখী ব্যক্তি। দল-মত নির্বিশেষে মানুষের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক এবং উন্নয়ন ভাবনা তাঁকে একজন সম্ভাবনাময় নেতৃত্ব হিসেবে তুলে ধরেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সময়ে জনগণ এমন নেতৃত্বই প্রত্যাশা করে, যারা ক্ষমতার জন্য নয়, বরং মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য রাজনীতিকে বেছে নেন। সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে চান রেজাউল কবির জায়গীরদার রাজা।
শেষকথা
ক্ষমতার অলংকার নয়, মানুষের ভালোবাসার মুকুটই তাঁর কাম্য।
প্রবাসের স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন পেছনে ফেলে জন্মভূমির মানুষের সেবায় নিজেকে নিবেদিত করার যে অঙ্গীকার রেজাউল কবির জায়গীরদার রাজা ব্যক্ত করেছেন, তা বাস্তবে রূপ নিলে শান্তিগঞ্জে মানবিক নেতৃত্ব, সুশাসন ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে—এমন প্রত্যাশাই করছেন অনেক সচেতন নাগরিক।