হারুন শেখ বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের রামপালের কাষ্টবাড়িয়া-চিত্রা গ্রামের ভেতর দিয়ে প্রবহমান খালের বাঁধ কেটে দিল গ্রামবাসী। সরকারি খালের বাঁধ কেটে দেওয়ায় প্রতিপক্ষের লোকজন মামলা করে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তারা প্রতিমন্ত্রীর জোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জানা গেছে, উপজেলার কাষ্টবাড়িয়া গ্রামের জনৈক ইকরামুল শেখ গংয়েরা মদরানা খালে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে আটকে দেন। এতে চিত্রা ও কাষ্টবাড়িয়া গ্রামের শতশত বিঘা জমির ফসল হুমকিতে পড়ে। এছাড়াও এলাকার পানি সরবরাহের একমাত্র খালটি বাঁধ দিয়ে আটকে রাখায় স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হবে বলে স্থানীয় গ্রামবাসী দাবী করেন। তারা বলেন, দুইটি গ্রামের প্রায় ২ শতাধিক পরিবার এই খালের আশপাশে বসবাস করেন। বর্ষা মৌসুমে খালটি আটকে রাখা হলে স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে। কবরস্থান ও বাড়ীঘরে পানিতে তলিয়ে যাবে। কতিপয় লোভী লোকজন খালের পাশে ঘর করে বসবাস শুরু করে। একপর্যায় তারা খালের জায়গায় কৌশলে পাইপ বাসায়। এরপরে তারা খালটি মাটি দিয়ে ভরাট করে এবং বাঁধ দিয়ে আটকে দেয়। এ ঘটনায় গ্রামবাসী পরিবেশ বন ও জলবায়ু মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের কাছে নালিশ জানান। খালের প্রবাহ ঠিক রাখার স্বার্থে তিনি বাঁধ অপসারণের কথা বলেন। গ্রামবাসী বাঁধ অপসারণ করার সময় খালে বাঁধ দিয়ে আটকে রাখা প্রতিপক্ষের সাথে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে প্রতিপক্ষরা বিএনপি নেতা আসাদ শেখ, ফজলুর রহমান, লিপন, তৈয়ব আলী, তাহের আলী ও তাহিদুলের বিরুদ্ধে মামলা করে হয়রানি করার চেষ্টা করছে বলে গ্রামবাসী অভিযোগ করেন। অভিযোগের বিষয়ে ইকরামুল শেখ জানায়, ওখানে কোন খাল নেই। নিজের জায়গা। তাই তারা বাঁধ দিয়েছেন।
গ্রামবাসী মদরানা খালটি প্রবহমান রাখার স্বার্থে এবং হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের জোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।