মোঃ মিজানুর রহমান
জেলা ষ্টাফ রিপোর্টার।
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের নিসানবাড়ীয়া ও জিউধরাসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন থেকে প্রতিদিন স্থানীয় চাহিদা পুরন করেও প্রায় দেড় কোটি টাকার সবজি রপ্তানি হলেও চাষীদের দেনার দায় বেড়েই চলেছে। দায়ী করছেন কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগকে ফিল্ড পর্যায়ে তদারকিকে, সার কীটনাশক সঠিক সময়ে প্রয়োগ করতে না পারায় ফলন ভালো হয়নি। বার বার বীজ রোপন এতেও ব্যয়ভার বেড়ে যাচ্ছে।
বিশেষ করে পল্লীমঙ্গল, কেয়ার বাজার, গুলিশাখালী বাজার, আমর বুনিয়া বান্দা বাজার, কুতঘাটা বাজার, মাঝি বাড়ী বাজার, অপরদিকে জিউধরা হতে কালীবাড়ী বাজার, চৌরাস্তা মোড়
অত্র এলাকা থেকে যে সকল সবজি রপ্তানি হয় যেমন - শষা , মিষ্টি কুমরা , লাউ , করোল্লা , উচ্ছে , লাফা, বরবুটি, চিচিঙ্গা সহ নানা ধরনের সবজি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ,ট্রাক, ট্রালার , পিকআপ যোগে চলে যায়।
এছাড়াও কৃষকদের ক্ষেত হতে নৌকা ও ট্রলার যোগে স্থানীয় খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ী ক্ষেত থেকেও নিয়ে সবজি ক্রয় করে নিয়ে যান।
কিন্তু দূভার্গজনক হলেও সত্য চাষীদের ভাগ্যের পরিবর্তন হচ্ছেনা কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ লেগেই আছে কিভাবে দেনা শোধ হবে।
চাষীদের অভিযোগ কৃষি সম্প্রসারণ অফিস হতে কোনো পরামর্শ পাওয়া যায়না যদিও মাঝে মাঝে আসেন তা নাম মাত্র। একজন চাষী বলেন- ওনারা আসেন কখনো কখনো তাও গাড়ি থেকে নামেন না আসেন হাজিরা দিয়ে চলে যান।
এছাড়াও সার ও বীজের দুস্প্রাপ্যতা, অতিরিক্ত খরা, অতিরিক্ত মূল্যে কীটনাশক ক্রয় সব মিলিয়ে চাষীদের কপালে হতাশার ভাঁজ কিভাবে লোকশান কাটিয়ে উঠবেন।
এমতাবস্থায় কৃষি বিভাগের সঠিক তদারকি ই বদলে দিতে পারে চাষীদের ভাগ্যের চাকা বলে মতামত প্রকাশ করেন স্থানীয় চাষীগন।
সম্পাদক ও প্রকাশক মাহাদী হাসান,
নির্বাহী সম্পাদক মেহেদী হাসান,
কপি রাইট কতৃক অনুমোদিত