বুড়িচং কুমিল্লা প্রতিনিধি।।
সম্প্রতি দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় “সরকারি খাল দখল করে ভবন নির্মাণ যুবলীগ নেতার” শিরোনামে প্রকাশিত একটি সংবাদ আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদে আমার নাম জড়িয়ে যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর। আমি এই বানোয়াট সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, সরকারি খাল ও খাস জমি দখল করে ভবন নির্মাণ করা হয়েছে এবং এর সঙ্গে আমাকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। বাস্তবতা হলো— উক্ত জমির বৈধ মালিক মোফিজুল ইসলাম। বিএস জরিপ, খতিয়ান, নামজারি, খাজনা-খারিজসহ সকল সরকারি কাগজপত্র যথাযথভাবে তার নামে হালনাগাদ রয়েছে। অতএব সরকারি খাল বা খাস জমি দখলের অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
মূলত একটি স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে এবং আমার সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে একটি হলুদ সাংবাদিক চক্রকে ব্যবহার করে এমন কাল্পনিক ও মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে। একজন সাবেক জনপ্রতিনিধি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার উন্নয়ন, জনসেবা ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছি। আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়েই কুচক্রী মহল এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে।
প্রতিবেদনে তথাকথিত “টর্চার সেল”, রাজনৈতিক কর্মীদের নির্যাতন এবং বাজারের পাবলিক টয়লেট ভেঙে ভবন নির্মাণের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তার কোনো বাস্তব ভিত্তি, তথ্যপ্রমাণ কিংবা গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য নেই। এগুলো সম্পূর্ণ কাল্পনিক, সাজানো ও মানহানিকর বক্তব্য ছাড়া কিছুই নয়।
দুঃখজনক হলেও সত্য, একটি জাতীয় পত্রিকা ন্যূনতম তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়াই একপেশেভাবে এমন সংবাদ প্রকাশ করেছে, যা সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতার পরিপন্থী। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস কিংবা প্রকৃত মালিকের বক্তব্য গ্রহণ করলে প্রকৃত সত্য সহজেই উঠে আসত। কিন্তু তা না করে পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে।
আমি সংশ্লিষ্ট পত্রিকা কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি— ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চা করুন এবং যাচাই ছাড়া কোনো ব্যক্তির সম্মানহানি হয় এমন সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকুন। একই সঙ্গে প্রকাশিত মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদের যথাযথ সংশোধন ও প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।
মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন
সাবেক চেয়ারম্যান
ষোলনল ইউনিয়ন পরিষদ, বুড়িচং, কুমিল্লা।