
নিজস্ব প্রতিবেদক: মিসেস চামেলী আক্তার
গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার ভাদারতি গ্রামের কৃতি সন্তান ও সমাজসেবক মোঃ সোহেল দীর্ঘদিন ধরে নীরবে-নিভৃতে মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে এলাকাবাসীর আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন। প্রচারের আলো থেকে দূরে থেকে তিনি পরিবেশ সংরক্ষণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
পরিবেশ রক্ষা ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে নিজ উদ্যোগে তিনি বিভিন্ন সময় ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের হাজারো চারা বিনামূল্যে বিতরণ করেছেন। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে পরিবেশবান্ধব সমাজ গঠনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
শুধু বৃক্ষরোপণেই নয়, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত কালীগঞ্জ গড়ে তোলার লক্ষ্যেও বিভিন্ন এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করে স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করছেন তিনি। তার এই উদ্যোগে অনেক তরুণ-যুবকও স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে অংশ নিতে উৎসাহিত হচ্ছেন।
করোনা মহামারির কঠিন সময়ে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে মোঃ সোহেল বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ করেন এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে ব্যাপক জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। সংকটময় সেই সময়ে তার মানবিক উদ্যোগ এলাকাবাসীর প্রশংসা কুড়ায়।
সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও কোমলমতি শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে তিনি বিভিন্ন সময় খেলনা সামগ্রীও বিনামূল্যে বিতরণ করেছেন। শিশুদের প্রতি তার আন্তরিক ভালোবাসা এবং মানবিক আচরণ স্থানীয় মানুষের হৃদয় স্পর্শ করেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, মোঃ সোহেল কখনো প্রচারের জন্য নয়, বরং সমাজ ও মানুষের কল্যাণের উদ্দেশ্যেই এসব কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। তার নিঃস্বার্থ সেবামূলক কর্মকাণ্ড সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, তরুণ প্রজন্ম ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর জন্য অনুকরণীয় উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও মোঃ সোহেল তার মানবিক ও সমাজসেবামূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করবেন এবং অসহায়, দরিদ্র ও সাধারণ মানুষের পাশে থেকে একটি সুন্দর, সবুজ ও মানবিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
মানবসেবাই হোক সর্বোচ্চ মানবতা—এই বিশ্বাসকে ধারণ করে এগিয়ে চলেছেন সমাজসেবক মোঃ সোহেল, এমনটাই বলছেন স্থানীয় সচেতন মহল।