1. admin@mhnews24.com : admin :
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ইসলামের সুমহান আদর্শ সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে দাওয়াতি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে হবে। মুফতি সৈয়দ রিয়াজ আহমদ নরসিংদীর মাধবদীতে দুইটি হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, অর্থ দন্ড আড়াইহাজার উপজেলা জামায়াতের হাইজাদী ইউনিয়নে ওয়ার্ড কর্মী-সম্মেলন অনুষ্ঠিত সিংড়ায় জামতলী-বামিহাল রাস্তা প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি আনু মদন পৌর সদরে কৃষকদের মাঝে ধানের বীজ বিতরণ করলেন মেয়র পদপ্রার্থী এনামুল হক কেন্দুয়ায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে হালট উদ্ধার অভিযান, বিরোধী পক্ষের লোক জন নিয়ে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ নরসিংদীতে মহাসড়কে ডিম ভেঙ্গে পোলট্রি খামারিদের প্রতিবাদ ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে দলিলকৃত জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাড়িতে আগুন ঘর বাড়ি ভাংচুর আদমদীঘিতে ধর্ষণ চেষ্টা মামলার আসামী ওসমান গ্রেপ্তার দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গঠনের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাংবাদিক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান শামীম তালুকদার (এম.এ) জনপ্রিয়তার শীর্ষে

কেশবপুরে হরিহর নদীর পাড় ধসে নদীগর্ভে, ৪ বসতঘরের বাসিন্দাদের পাশে ইউএনও

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬
  • ৯ বার পঠিত

পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধি

​যশোরের কেশবপুরে হরিহর নদী খননে ড্রেজারের থাবায় নদীর গর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি, অসহায় মানুষের আর্তনাদ! বিলীন হয়ে যাচ্ছে একের পর এক পাকা ভবন। নদীর অপরিকল্পিত খননের কারণে তীরবর্তী বসতবাড়িগুলো আজ হুমকির মুখে। হরিহর নদী খননের পর টানা ভারী বর্ষণ ও নদীর পাড় ধসের কারণে বালিয়াডাঙ্গা গ্রাম সংলগ্ন এলাকায় চারটি বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই-২৬) সকালে মুহূর্তের মধ্যে ঘরগুলো নদীতে ধসে পড়লে অন্তত দুটি পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয় হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে।খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেকসােনা খাতুন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের মাঝে শুকনো খাবারসহ জরুরি খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, হরিহর নদ খননের পর থেকেই নদীর দুই পাশের পাড় দুর্বল হয়ে পড়ে। এর সঙ্গে টানা ভারী বর্ষণে মাটি নরম হয়ে যাওয়ায় পাড় ধসের ঘটনা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে। তারা দ্রুত নদীর পাড় স্থায়ীভাবে সংরক্ষণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
ক্ষতিগ্রস্ত বিল্লাহ হোসেন বলেন, “নদীর পাড় ধসে আমার বসতঘর মুহূর্তের মধ্যে ভেঙে পড়েছে। জীবনের সব সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় থাকব, সেটাই বুঝতে পারছি না। সরকারের কাছে দ্রুত সহযোগিতা চাই।”
আরেক ক্ষতিগ্রস্ত ফারুক হোসেন বলেন, “বাড়িটিই ছিল আমাদের একমাত্র আশ্রয়। নদীভাঙনে সবকিছু হারিয়ে এখন আমরা অসহায় অবস্থায় রয়েছি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাথমিক সহায়তা পেয়েছি, তবে স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা জরুরি।”
এদিকে টানা ভারী বর্ষণের কারণে কেশবপুর পৌর শহরে আবারও জলাবদ্ধতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শহরের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে পানি জমতে শুরু করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে।
কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসােনা খাতুন বলেন, “ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে সরকার রয়েছে। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সহায়তা এবং পরবর্তী পুনর্বাসনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।”
ছবি
১১/০৭/২৬

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2026 MH News 24
Theme Customized By MH News 24