1. admin@mhnews24.com : admin :
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নরসিংদীর মাধবদীতে দুইটি হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, অর্থ দন্ড আড়াইহাজার উপজেলা জামায়াতের হাইজাদী ইউনিয়নে ওয়ার্ড কর্মী-সম্মেলন অনুষ্ঠিত সিংড়ায় জামতলী-বামিহাল রাস্তা প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি আনু মদন পৌর সদরে কৃষকদের মাঝে ধানের বীজ বিতরণ করলেন মেয়র পদপ্রার্থী এনামুল হক কেন্দুয়ায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে হালট উদ্ধার অভিযান, বিরোধী পক্ষের লোক জন নিয়ে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ নরসিংদীতে মহাসড়কে ডিম ভেঙ্গে পোলট্রি খামারিদের প্রতিবাদ ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে দলিলকৃত জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাড়িতে আগুন ঘর বাড়ি ভাংচুর আদমদীঘিতে ধর্ষণ চেষ্টা মামলার আসামী ওসমান গ্রেপ্তার দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গঠনের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাংবাদিক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান শামীম তালুকদার (এম.এ) জনপ্রিয়তার শীর্ষে গলাচিপায় যৌথ অভিযানে ৩০টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ, আগুনে ধ্বংস

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভুয়া সনদে শিক্ষকতা: অভিযোগের পরও নীরব শিক্ষা বিভাগ

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২ মে, ২০২৬
  • ৩০ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় ভুয়া সনদপত্র ব্যবহার করে শিক্ষকতা করার অভিযোগ উঠেছে এক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বিভাগের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিবগঞ্জ উপজেলার ৮ নং বিনোদপুর ইউনিয়নের রাধানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মুহা. আরিফুল ইসলাম ভুয়া শিক্ষাগত সনদ ব্যবহার করে চাকরিতে নিয়োগ পান। তিনি ২০০২ সালের আলিম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন বলে দাবি করলেও বাস্তবে ওই পরীক্ষায় তিনি চারটি বিষয়ে অকৃতকার্য ছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তার আলিম পরীক্ষার রোল নম্বর ১১৪৪৪৮ এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর ৯৩৮৭০৯।

অভিযোগে আরও বলা হয়, আরিফুল ইসলাম পরবর্তীতে ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়ে দারুল ইহসান ইউনিভার্সিটি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখা থেকে ভুয়া অনার্স সনদ সংগ্রহ করে তা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দেন। তবে তিনি কখনোই ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন না বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা।

এলাকাবাসীর পক্ষে শওকত আবুল কালাম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন করেন। আবেদনটি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভাগীয় উপ-পরিচালক (রাজশাহী), জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছেও প্রেরণ করা হয়। আবেদনের সঙ্গে ১১ পৃষ্ঠার প্রমাণপত্র সংযুক্ত করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, বিষয়টি ধামাচাপা দিতে একটি চক্র তৎপর রয়েছে এবং এ ঘটনায় আর্থিক লেনদেনেরও অভিযোগ উঠেছে। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভুক্তভোগীরা জানান, ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর অভিযোগ দায়ের করা হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো তদন্ত বা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ফলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে।

এ বিষয়ে জানতে আরিফুলকে ফোন করলে তিনি এ বিষয়ে কিছু বলতে নারাজ। তিনি পাশ করেছেন না ফেল করেছেন তাও বলেন নি।

এ বিষয়ে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2026 MH News 24
Theme Customized By MH News 24