1. admin@mhnews24.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কেশবপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত জনসেবা, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে আলোচনায় প্রভাষক গাজী ফারুকে আজম মেহেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘সম্প্রীতি অলিম্পিয়াড’ অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট অন্তর গফরগাঁও-মাওনা সড়ক ভূমি অধিগ্রহণে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে দালাল চক্র সিলেট বিভাগের চেলানদী রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তরের পদক্ষেপ, ৩৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা ইসলামের সুমহান আদর্শ সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে দাওয়াতি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে হবে। মুফতি সৈয়দ রিয়াজ আহমদ নরসিংদীর মাধবদীতে দুইটি হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, অর্থ দন্ড আড়াইহাজার উপজেলা জামায়াতের হাইজাদী ইউনিয়নে ওয়ার্ড কর্মী-সম্মেলন অনুষ্ঠিত সিংড়ায় জামতলী-বামিহাল রাস্তা প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি আনু

জাতীয় সংসদকে বিএনপির পরিবারতন্ত্র সংসদ বানিয়েছে জেএসএফ বাংলাদেশ

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ৩৯ বার পঠিত

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ জাতীয় সম্মিলিত ফোরাম ( জেএসএফ) বাংলাদেশ এর সংগঠক হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন এক বিবৃতি ও ফেইসবুক লাইভে বলেছেন, আমাদের দুর্ভাগ্য এই দুর্নীতিবাজ, মিথ্যুক, অপদার্থ এখনও বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট। আওয়ামী লীগ সাহাবুদ্দিনকে দুদকের কমিশনার করা হয়েছিল তিনটি এসাইনমেন্ট দিয়ে; খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে দুর্নীতির অভিযোগে শাস্তি নিশ্চিত করা, পদ্মা সেতুর দুর্নীতি অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগকে ক্লিনচিট দেয়া, ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দীন এর আমলে আওয়ামী লীগ এর বিরুদ্ধে হওয়া দুর্নীতির মামলা থেকে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের মুক্তি দেয়া। এমন একজন ব্যক্তিকে বিএনপি এখনও প্রেসিডেন্ট হিসেবে রেখেছে। এটি বিএনপির দেওলিয়াত্ব।

সংসদ ও প্রশাসনকে ক্রিকেট বোর্ডের মতো পরিবারতন্ত্র বানিয়েছে এই সরকার। নিজের ছেলের স্ত্রী , নিজে এবং আপন বাপ মেয়ে , স্বামী স্ত্রী দিয়ে এখন জাতীয় সংসদের এমপি বানিয়ে এই সরকার পরিবারতন্ত্র সংসদে পরিণত করেছে।

জেএসএফ বাংলাদেশ বিবৃতিতে আরো বলেছে ,জুলাই অভ্যুত্থানের পর প্রণীত সনদের পক্ষে দেশের বিপুল জনগোষ্ঠী সমর্থন জানিয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে সনদের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক দলগুলো এ সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করলেও বর্তমানে তা বাস্তবায়নে টালবাহানা করছে। “জুলাই সনদ বাস্তবায়িত না হলে তা জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে প্রতারণার শামিল হবে। তাই দেরি না করে দ্রুত সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।”

গণভোটের আগে দীর্ঘ চার মাস সময় থাকা সত্ত্বেও সরকার বা সংশ্লিষ্টরা কেন কোনো আপত্তি তোলেননি। ১৭ অক্টোবর জুলাই সনদে স্বাক্ষর, ১৩ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশ, ২৫ নভেম্বর গণভোটের অধ্যাদেশ, ফেব্রুয়ারিতে ভোট এই পুরো সময়জুড়ে কেউ বলেননি এসব অসাংবিধানিক। অথচ ক্ষমতায় বসেই সবকিছু অবৈধ বলা হচ্ছে। এটি সুস্পষ্ট দ্বিচারিতা।জুলাই সনদের আড়ালে গণভোটের রায়কে অস্বীকার করা হচ্ছে। এটি কেবল রাজনৈতিক কৌশল নয়, সরাসরি জনগণের ম্যান্ডেটের বিরুদ্ধে অবস্থান।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2026 MH News 24
Theme Customized By MH News 24