
বিশেষ প্রতিনিধি:-আল ইমরান গোপালগঞ্জ
গোপালগঞ্জ কাশিয়ানীর এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার এক চরম চিত্র ফুটে উঠেছে উপজেলার দীঘড়গাতী রামকৃষ্ণ সনাতন ভজন উচ্চ বিদ্যালয়ের। স্কুল ছুটির দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও নিয়ম লঙ্ঘন করে নামানো হয়নি জাতীয় পতাকা। প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করেছেন শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টরা, যা নিয়ে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নিয়ম নীতির তোয়াক্কা নেই।
বৃহস্পতিবার (৭’মে) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটেও দীঘড়গাতী উচ্চ বিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা সগৌরবে উড়ছে। সরকারি বিধি অনুযায়ী বিদ্যালয় খোলার সময় পতাকা উত্তোলন এবং ছুটির নির্ধারিত সময়ের আগেই সসম্মানে তা নামিয়ে ফেলার বাধ্যবাধকতা থাকলেও, এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সেই নিয়মের তোয়াক্কা করছে না।
স্কুলে ঢুকতেই টিনের রুমে দেখাযায়, স্কুলের এক সহকারী শিক্ষক নাম মাহফুজুর রহমান ১০’ম শ্রেনীর শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়াচ্ছেন। নীতিমালায় রয়েছে সরকারি- বেসরকারি কোনো শিক্ষক প্রাইভেট- কোচিং ক্লাস করাতে পারবেনা। তার পরেও স্কুলে কী ভাবে প্রাইভেট পড়াচ্ছেন প্রশ্নে ওই শিক্ষক বলেন, “সকল শিক্ষকই পড়ান, তাই আমিও পড়াই”।
“একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকার প্রতি এমন অবজ্ঞা এবং সরকারি সম্পদের প্রতি এই উদাসীনতা মেনে নেওয়া যায় না। এটি শুধু নিয়ম লঙ্ঘন নয়, জাতীয় পতাকার প্রতি চরম অসম্মান।” -স্থানীয় জনৈক ক্ষুব্ধ অভিভাবক।
এ বিষয়ে বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সঞ্চিত সাখারু এর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, “কর্মচারীরা কেন এভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে রেখেছে তিনি তা সঠিক জানেন না।” তবে স্কুল ছুটির সময় বৃষ্টি হয়েছিলো তাই হয়তো তাড়াহুড়ো করে চলে গিয়েছে। আমি এখনই ফোন করে বলতেছি।
সাধারণ মানুষ ও অভিভাবকরা দ্রুত এই অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ এবং কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি ও জানিয়েছেন।