
স্টাপ রিপোর্টার: কবির মোঃ সামছুল আলম ফাইটার।।
পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) নেতৃত্বে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে টিসিবি পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম পঞ্চগড় পৌরসভায় পরিচালিত হচ্ছে।
পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে সারাদেশের ন্যায় পঞ্চগড় পৌরসভার সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি-TCB) পণ্য বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে (মে,২০২৬)।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে কোনো ধরনের সিন্ডিকেট বা কারসাজি যাতে কার্যকর হতে না পারে, সে লক্ষ্যে সরকার কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে আছে কৌশলগত মজুত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর সরবরাহব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ ও টিসিবির সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ।
টিসিবি’র একটি ভ্রাম্যমান ট্রাক থেকে তিন ধরনের পণ্য কেনা যাবে। একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ ২ লিটার ভোজ্যতেল, ১ কেজি চিনি ও ২ কেজি মসুর ডাল কিনতে পারবেন। এর মধ্যে প্রতি লিটার ভোজ্যতেল ১৩০ টাকা, প্রতি কেজি চিনি ৮০ টাকা ও প্রতি কেজি মসুর ডাল ৭০ টাকায় বিক্রি করা হবে। সব পণ্য একসঙ্গে কিনলে একজন ক্রেতার খরচ হবে ৪৮০ টাকা। খুচরা বাজার থেকে এসব পণ্য কিনতে ৭০০ থেকে ৭২০ টাকা লাগে। অর্থাৎ সাশ্রয় হবে ২২০-২৪০ টাকা।
টিসিবি’র কার্ডধারীদের পাশাপাশি সাধারণ ভোক্তারাও এই ভ্রাম্যমান ট্রাক সেল থেকে পণ্য কিনতে পারবেন।
টিসিবি’র পরিবেশক নিয়োগেও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন নীতিমালা করা হয়েছে । ‘টিসিবির কার্যক্রম সম্পূর্ণ প্রশ্নহীন, জবাবদিহিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর করা হয়েছে।’
নিত্যপণ্যের আমদানি মূলধননির্ভর হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই কিছু বড় ব্যবসায়ী এই খাতে সক্রিয় থাকেন । তবে সরকার এমন অংশীদারিভিত্তিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে আরও বেশি উদ্যোক্তা এই খাতে অংশ নিতে পারবেন। টিসিবি পণ্য বিক্রির লক্ষ্য হলো বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি করা।