
স্টাফ রিপোর্টার
মোঃ শহিদুল ইসলাম এরশাদ
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় সন্তান জন্মের পর নবজাতক বিক্রি এবং প্রসূতি মাকে নিখোঁজ করার এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার প্রায় ৯ বছর পার হলেও ভুক্তভোগী পরিবার এখনো তাদের সন্তান ও মেয়ের কোনো সন্ধান পায়নি। দীর্ঘদিনেও তদন্তে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় এলাকায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।
ঘটনাপ্রবাহ
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে পশ্চিম আলগী গ্রামের বাসিন্দা দেবী বিশ্বাস-এর পারিবারিক সম্পর্কে টানাপোড়েন দেখা দিলে স্থানীয় মিন্টুর স্ত্রী জরিনা ও তার বোন ফিরু দেবীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তোলে। সন্তান প্রসবের সময় ঘনিয়ে এলে উন্নত চিকিৎসার কথা বলে ৩ অক্টোবর তাকে ঢাকার কালামপুর এলাকায় ফিরুর বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।
শিশু বিক্রি ও নিখোঁজের অভিযোগ
অভিযোগ রয়েছে, সেখানে ১২ দিন আটকে রাখার পর ১৪ অক্টোবর দেবী বিশ্বাস একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। জ্ঞান ফেরার পর অভিযুক্তরা জানান শিশুটি অসুস্থ এবং আইসিইউতে রাখা হয়েছে। পরে তাকে কিছু টাকা দিয়ে জানানো হয় নবজাতককে বিক্রি করা হয়েছে। এরপর থেকেই দেবী বিশ্বাস নিখোঁজ রয়েছেন। পরিবারের অভিযোগ, তাকে মানবপাচার চক্রের মাধ্যমে পাচার করা হয়েছে।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ
ঘটনার মূল হোতা হিসেবে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার আলিপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. জাকির হোসেন-এর নাম উঠে এসেছে। তার মা শুকচান বেগম ও সহযোগী ফিরুর বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ মানবপাচার চক্র পরিচালনার অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক শিশু বিক্রির অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
পরিবারের আহাজারি
দেবীর বাবা সুনীল বিশ্বাস ও মা আরতী বিশ্বাস জানান, “আমরা গরিব বলে কেউ আমাদের কথা শোনেনি। ৯ বছর হয়ে গেল মেয়েটা কোথায় আছে জানি না�