
নিজস্ব প্রতিবেদক
(৩’রা মে) বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস, সফল হোক সার্থক হোক।গণমাধ্যম কেবল সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যম নয়, এটি সত্য, ন্যায় ও নৈতিকতার এক অদম্য কণ্ঠস্বর”— বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক আবেগঘন বাণীতে এ কথা বলেছেন, বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব (B.C.P.C)-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার সম্পাদক খান সেলিম রহমান ও বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব (B.C.P.C)-এর সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার সহ-সম্পাদক মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার।দিবসটি উপলক্ষে দেশ-বিদেশের সকল পর্যায়ের গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।খান সেলিম রহমান তিনি তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন যে, বর্তমানের কঠিন সময়ে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ক্রমেই চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে। তিনি বলেন, নানা ঝুঁকি, সামাজিক প্রতিবন্ধকতা ও প্রতিকূলতার মাঝেও প্রকৃত সাংবাদিকরা কখনোই পিছপা হন না। তারা সত্যের পথে অবিচল থেকে জনগণের অধিকার রক্ষায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। এই অকুতোভয় মানসিকতাই গণমাধ্যমকে সাধারণ মানুষের আস্থার শেষ ঠিকানায় পরিণত করেছে।
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে আবেগঘন বানীতে খান সেলিম রহমান আরও বলেন, একটি সুস্থ, গণতান্ত্রিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলতে স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও শক্তিশালী গণমাধ্যমের কোনো বিকল্প নেই। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কথা বলা, মানুষের অধিকার রক্ষা করা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকা এই মহান দায়িত্ব পালনে গণমাধ্যম সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন। ১৯৯১ সালে ইউনেস্কোর ২৬’তম সাধারণ অধিবেশনের সুপারিশ অনুযায়ী, ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় (৩’মে) তারিখটিকে ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম’ দিবসের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।খান সেলিম রহমান, বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস ও জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ ২০২৬’-এর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ১৪ দফা দাবি আদায়ে সরকারের প্রতি আহবান জানাচ্ছি। পাশাপাশি, আজকের এই বিশেষ দিনে সকল সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা অভিনন্দন ও ভালোবাসা।
বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব B.C.P.C) কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার সহ-সম্পাদক মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার, বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে দেশ ও দেশের বাহিরের সকল গণমাধ্যম কর্মীদের গভীর শ্রদ্ধা আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও ভালোবাসা জানিয়ে তিনি বলেন। বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস, সফল হোক সার্থক হোক।
১৯৯১ সালে নামিবিয়ার উইন্ডহুকে আয়োজিত এক সেমিনারে ‘উইন্ডহুক ঘোষণা’ গ্রহণ করা হয়, যা ছিল মুক্ত গণমাধ্যমের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৩ সাল থেকে প্রতি বছর (৩’রা মে) এই দিনটি পালন করা হচ্ছে, বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস।
সাংবাদিক জাতির বিবেক, একটি দেশ বা সমাজ কতটা আধুনিক ও গণতান্ত্রিক হবে, তা অনেকাংশেই নির্ভর করে সেই দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতার ওপর। সমাজের অসঙ্গতি, অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সাহসী লেখনীই একটি সুস্থ ও সচেতন সমাজ গঠনে প্রধান ভূমিকা রাখেন। বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস প্রতি বছর এই দিনে সারা ‘বিশ্বে, বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস’পালিত হয়।মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার আরও বলেন, মানবাধিকার, উন্নয়ন ও নিরাপত্তার জন্য সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রসার।বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়। বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষ্যে দেশের সাংবাদিকরা পেশাগত অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন।দিবসটিতে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার মৌলিক নীতিমালা অনুসরণ, বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের স্বাধীনতার মূল্যায়ন, স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ প্রতিহত করার শপথ নেওয়ার পাশাপাশি ত্যাগী সাংবাদিকদের স্মরণ ও তাদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানানো হয়।দেশ ও দেশের বাহিরের সকল গণমাধ্যম কর্মীদের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি, সুসাস্থ ও দীর্ঘায়ু ও নিরাপত্তা কামনা করছি, আশা করছি আগামীতেও দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে আরও সাহসী কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।আজকের এই বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে, দেশ ও দেশের বাহিরের সকল গণমাধ্যম কর্মীদের গভীর শ্রদ্ধা আন্তরিক শুভেচ্ছা অভিনন্দন ও ভালোবাসা।