1. admin@mhnews24.com : admin :
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ইসলামের সুমহান আদর্শ সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে দাওয়াতি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে হবে। মুফতি সৈয়দ রিয়াজ আহমদ নরসিংদীর মাধবদীতে দুইটি হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, অর্থ দন্ড আড়াইহাজার উপজেলা জামায়াতের হাইজাদী ইউনিয়নে ওয়ার্ড কর্মী-সম্মেলন অনুষ্ঠিত সিংড়ায় জামতলী-বামিহাল রাস্তা প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি আনু মদন পৌর সদরে কৃষকদের মাঝে ধানের বীজ বিতরণ করলেন মেয়র পদপ্রার্থী এনামুল হক কেন্দুয়ায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে হালট উদ্ধার অভিযান, বিরোধী পক্ষের লোক জন নিয়ে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ নরসিংদীতে মহাসড়কে ডিম ভেঙ্গে পোলট্রি খামারিদের প্রতিবাদ ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে দলিলকৃত জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাড়িতে আগুন ঘর বাড়ি ভাংচুর আদমদীঘিতে ধর্ষণ চেষ্টা মামলার আসামী ওসমান গ্রেপ্তার দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গঠনের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাংবাদিক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান শামীম তালুকদার (এম.এ) জনপ্রিয়তার শীর্ষে

বুড়িচংয়ে গ্রামগঞ্জে কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে শাপলা ফুল

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬
  • ১৭ বার পঠিত

মোঃ আবদুল্লাহ বুড়িচং কুমিল্লা।।
শাপলা আমাদের জাতীয় ফুল। এক সময়ে দেশের গ্রামগঞ্জে বিল- ঝিল, পুকুর- খালজুড়ে লাল,সাদা, গোলাপি,বেগুনি ও নীল রঙের শাপলা ফুলের ব্যবহার দেখা যেত।তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দৃশ্য আজ বিলীন হতে বসেছে। কুমিল্লার বুড়িচংয়ে এখন আর আগের মতো শাপলার মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য চোখে পড়ে না। কালের বিবর্তন, জলবায়ু পরিবর্তন, আধুনিক কৃষি ব্যবস্থায় অতিরিক্ত কীটনাশকের ব্যবহার ও জলাশয় ভরাটের কারনে হারিয়ে যাচ্ছে এই নয়নাভিরাম জাতীয় ফুল। বাংলাদেশের আবহাওয়ার সাধারণত পাঁচ ধরনের শাপলা দেখা যায় সাদা,লাল,বেগুনি, হলুদ ও নীল। এদের মধ্যে সাদা শাপলা বাংলাদেশের জাতীয় ফুল হিসেবে স্বীকৃত। নদীমাতৃক এ দেশে পূর্বে স্রোতবিহীন জলাশয়, পুকুর, খাল বিলজুড়ে শাপলা ফুলে ছেয়ে থাকত। বিশেষ করে বর্ষা ও শরৎকালে ছিল শাপলার ফুল ফোটার মৌসুম। শাপলা শুধু সৌন্দর্য নয়,খাদ্য হিসেবেও গ্রামীণ জনজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত। শাপলার লতা দিয়ে সবজি রান্না করা হতো এবং ফল যা ড্যাভ নামে পরিচিত, তা সিদ্ধ
বা ভেজে খাওয়া হতো।ছোটরা শাপলার মালা গলায় পরে আনন্দ পেত। অনেক কৃষক শাপলা তুলে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।স্থানীয় কৃষকদের মতে, আগে যেখানে সামান্য পানিতে ই শাপলা ফুটত,এখন সেই জায়গাগুলো ভরাট হয়ে গেছে অথবা চাষের জমিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে করে শাপলার বংশ বিস্তার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বর্তমানে কোথাও কোথাও গভীর জলাশয়ে কিছু সাদা শাপলা দেখা গেলেও বেগুনি,নীল বা লাল শাপলার দেখা মেলে না বললেই চলে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2026 MH News 24
Theme Customized By MH News 24