1. admin@mhnews24.com : admin :
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নরসিংদীর মাধবদীতে দুইটি হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, অর্থ দন্ড আড়াইহাজার উপজেলা জামায়াতের হাইজাদী ইউনিয়নে ওয়ার্ড কর্মী-সম্মেলন অনুষ্ঠিত সিংড়ায় জামতলী-বামিহাল রাস্তা প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি আনু মদন পৌর সদরে কৃষকদের মাঝে ধানের বীজ বিতরণ করলেন মেয়র পদপ্রার্থী এনামুল হক কেন্দুয়ায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে হালট উদ্ধার অভিযান, বিরোধী পক্ষের লোক জন নিয়ে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ নরসিংদীতে মহাসড়কে ডিম ভেঙ্গে পোলট্রি খামারিদের প্রতিবাদ ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে দলিলকৃত জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাড়িতে আগুন ঘর বাড়ি ভাংচুর আদমদীঘিতে ধর্ষণ চেষ্টা মামলার আসামী ওসমান গ্রেপ্তার দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গঠনের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাংবাদিক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান শামীম তালুকদার (এম.এ) জনপ্রিয়তার শীর্ষে গলাচিপায় যৌথ অভিযানে ৩০টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ, আগুনে ধ্বংস

ভিজিএফের ৫ টন চাল আটক করে থানায় নেওয়ার পর নাটকীয় রশিদ তৈরি, পরে ফেরত দেওয়ার অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২০ মে, ২০২৬
  • ২১ বার পঠিত

ফয়সাল রহমান জনি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।
গাইবান্ধা সদর উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের ভিজিএফের আনুমানিক প্রায় ৫ টন সরকারি চাল সাদুল্লাপুর উপজেলায় আটক হওয়ার ঘটনায় রহস্য ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকেলে সাদুল্লাপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ রোড এলাকায় ব্যাটারিচালিত অটোর মাধ্যমে চালগুলো পরিবহনের সময় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সন্দেহ হলে চাল বহনকারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে জানা যায়, চালগুলো ভিজিএফের সরকারি চাল। পরে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে সাদুল্লাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ জসীম উদ্দিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রায় ৫ টন চালসহ পরিবহনে ব্যবহৃত ৫টি ব্যাটারিচালিত অটো জব্দ করেন এবং সেগুলো সাদুল্লাপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
তবে ঘটনাটি পরে নতুন মোড় নেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, বিকেলে চাল আটক করে থানায় নেওয়া হলেও রাতের দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে দীর্ঘ সময় ধরে নানা নাটকীয়তা ও কাগজপত্র প্রস্তুতের পর চালগুলো ফেরত দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, আটক হওয়ার সময় চাল বহনকারীরা কোনো বৈধ কাগজপত্র বা ক্রয়ের রশিদ দেখাতে পারেননি। কিন্তু পরে তড়িঘড়ি করে চাল ক্রয়ের রশিদ প্রস্তুত করা হয় বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন—যদি চালগুলো বৈধভাবে ক্রয় করা হয়ে থাকে, তাহলে আটক করার সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখানো হয়নি কেন? আবার সরকারি ভিজিএফের চাল কীভাবে এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায় পরিবহন হচ্ছিল এবং কার নির্দেশে তা করা হচ্ছিল—এসব বিষয় নিয়েও জনমনে নানা আলোচনা চলছে।
এ ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অনেকেই মনে করছেন, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে। একই সঙ্গে সরকারি সহায়তার চাল পাচার কিংবা অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, থানায় নেওয়ার পর চালগুলো পরে জামালপুর ইউনিয়নের তরফবাজি এলাকার জহুরুলের অটো রাইস মিলে নেওয়া হয়। স্থানীয়দের দাবি, সেখানে ইউসুফ নামের এক চাল ব্যবসায়ীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলেও আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো লিখিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তবে সচেতন মহল বলছে, সরকারি খাদ্য সহায়তার চাল নিয়ে এমন ঘটনায় স্বচ্ছ তদন্ত হওয়া জরুরি, যাতে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযোগ আর না ওঠে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2026 MH News 24
Theme Customized By MH News 24