
মোঃ আব্দুর রহিম দুলু, স্টাফ রিপোর্টার:
জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার দুরমুঠ ইউনিয়নের হাতিজা গ্রামের হাসান (১৭) নামের এক কিশোরের বিরুদ্ধে কথিত মাদক ব্যবসায়ী আলালের সহযোগী হিসেবে কাজ করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত আলাল বিভিন্নভাবে তার কার্যক্রম চালিয়ে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, হাসান তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করছে এবং মাদক সরবরাহ, যোগাযোগ রক্ষা ও বিভিন্ন লেনদেনে সহায়তা করছে।
গ্রামবাসীরা জানান, অল্প বয়সে এমন কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ায় হাসানের পরিবারও সামাজিকভাবে চাপে রয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, মাদকের ভয়াবহতা শুধু একজন ব্যক্তির জীবন নয়, পুরো পরিবার ও সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। বিশেষ করে কিশোর বয়সে এ ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়া ভবিষ্যতের জন্য বড় হুমকি।
স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, কিছু অসাধু ও প্রভাবশালী চক্রের ছত্রছায়ায় এলাকায় মাদক ব্যবসা বিস্তার লাভ করছে। এসব চক্র কিশোর ও যুবকদের ব্যবহার করে নিজেদের অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। হাসানও সেই চক্রের অংশ হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন,
“মাদক ব্যবসায়ী আলালের বিরুদ্ধে বহুদিন ধরেই অভিযোগ রয়েছে। এখন তার সহযোগী হিসেবে কিশোরদের নাম আসায় আমরা আরও বেশি চিন্তিত। প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।”
এলাকাবাসীর দাবি, শুধু মূল মাদক ব্যবসায়ী নয়—তার সহযোগী ও মাদক চক্রের সঙ্গে জড়িত সকল ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে কিশোরদের এই পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে পরিবার, সমাজ ও প্রশাসনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
স্থানীয়রা আরও বলেন, মাদক নির্মূলে নিয়মিত অভিযান, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মেলান্দহে মাদক ব্যবসায়ী আলালের সহযোগী কিশোর হাসান, এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য
মোঃ আব্দুর রহিম দুলু, স্টাফ রিপোর্টার:
জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার দুরমুঠ ইউনিয়নের হাতিজা গ্রামের হাসান (১৭) নামের এক কিশোরের বিরুদ্ধে কথিত মাদক ব্যবসায়ী আলালের সহযোগী হিসেবে কাজ করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত আলাল বিভিন্নভাবে তার কার্যক্রম চালিয়ে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, হাসান তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করছে এবং মাদক সরবরাহ, যোগাযোগ রক্ষা ও বিভিন্ন লেনদেনে সহায়তা করছে।
গ্রামবাসীরা জানান, অল্প বয়সে এমন কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ায় হাসানের পরিবারও সামাজিকভাবে চাপে রয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, মাদকের ভয়াবহতা শুধু একজন ব্যক্তির জীবন নয়, পুরো পরিবার ও সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। বিশেষ করে কিশোর বয়সে এ ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়া ভবিষ্যতের জন্য বড় হুমকি।
স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, কিছু অসাধু ও প্রভাবশালী চক্রের ছত্রছায়ায় এলাকায় মাদক ব্যবসা বিস্তার লাভ করছে। এসব চক্র কিশোর ও যুবকদের ব্যবহার করে নিজেদের অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। হাসানও সেই চক্রের অংশ হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন,
“মাদক ব্যবসায়ী আলালের বিরুদ্ধে বহুদিন ধরেই অভিযোগ রয়েছে। এখন তার সহযোগী হিসেবে কিশোরদের নাম আসায় আমরা আরও বেশি চিন্তিত। প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।”
এলাকাবাসীর দাবি, শুধু মূল মাদক ব্যবসায়ী নয়—তার সহযোগী ও মাদক চক্রের সঙ্গে জড়িত সকল ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে কিশোরদের এই পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে পরিবার, সমাজ ও প্রশাসনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
স্থানীয়রা আরও বলেন, মাদক নির্মূলে নিয়মিত অভিযান, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলাই সবচেয়ে জরুরি। তারা প্রশাসনের দ্রুত তদন্ত ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।
জনমনে এখন একটাই প্রত্যাশা—মাদক ব্যবসায়ী আলাল ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এলাকাকে মাদকমুক্ত করা হোক এবং তরুণ সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা হোক। প্রতিরোধ গড়ে তোলাই সবচেয়ে জরুরি। তারা প্রশাসনের দ্রুত তদন্ত ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।
জনমনে এখন একটাই প্রত্যাশা—মাদক ব্যবসায়ী আলাল ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এলাকাকে মাদকমুক্ত করা হোক এবং তরুণ সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা হোক।