1. admin@mhnews24.com : admin :
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নরসিংদীর মাধবদীতে দুইটি হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, অর্থ দন্ড আড়াইহাজার উপজেলা জামায়াতের হাইজাদী ইউনিয়নে ওয়ার্ড কর্মী-সম্মেলন অনুষ্ঠিত সিংড়ায় জামতলী-বামিহাল রাস্তা প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি আনু মদন পৌর সদরে কৃষকদের মাঝে ধানের বীজ বিতরণ করলেন মেয়র পদপ্রার্থী এনামুল হক কেন্দুয়ায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে হালট উদ্ধার অভিযান, বিরোধী পক্ষের লোক জন নিয়ে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ নরসিংদীতে মহাসড়কে ডিম ভেঙ্গে পোলট্রি খামারিদের প্রতিবাদ ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে দলিলকৃত জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাড়িতে আগুন ঘর বাড়ি ভাংচুর আদমদীঘিতে ধর্ষণ চেষ্টা মামলার আসামী ওসমান গ্রেপ্তার দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গঠনের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাংবাদিক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান শামীম তালুকদার (এম.এ) জনপ্রিয়তার শীর্ষে গলাচিপায় যৌথ অভিযানে ৩০টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ, আগুনে ধ্বংস

শেরপুরে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের তাঁত বন্ধ, নিজস্ব তৈরী পোষাক কেবলই স্মৃতি

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬২ বার পঠিত

জুবায়ের আহমেদ রাসেল :-শেরপুরের সীমান্তবর্তী গারো পাহাড় এলাকায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে গারো, কোচ, হাজং, ঢালু, বানাই ও হদি সমপ্রদায়ের বসবাস। তারা যুগ যুগ ধরে তাদের নিজস্ব তাঁতে তৈরী গামছা, চাদর, মেয়েদের পড়ার দক শাড়ী, দক মান্দা, ওড়নাসহ অন্যান্য পোষাক বুনিয়ে তা ব্যবহার করে আসছিল। গত প্রায় ৯ থেকে ১০ বছর ধরে নানা প্রতিকুলতায় সেসব তাঁত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এ অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরা এখন আর তাদের নিজস্ব তৈরী পোষাক ব্যবহার করতে পারছে না। তাদের সেই ঐতিহ্যবাহী পোষাক কেবলই স্মৃতি হয়ে আছে। কারণ এখন এসব পোষাক আর এ অঞ্চলে তৈরী হয়না। যা কিছু তৈরী হয় তা টাঙ্গাইলের মধুপুর এবং নেত্রকোনা জেলায়। সেসব এলাকা থেকে কিছু পোষাক কিনে এনে এসব অঞ্চলে বিক্রি হয়। তবে বেশীর ভাগই টেক্সটাইলের বোনা বাঙালীদের শাড়ীসহ অন্যান্য পোষাকে অভ্যস্থ হয়ে গেছে আদিবাসী নারীদের প্রায় সবাই।

আধুনিকতার ছোঁয়ায়ও অনেক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারীরা এখন তাদের ঐতিহ্যের পোষাকের প্রতি আগ্রহও হারিয়ে ফেলেছে। অথচ শেরপুর অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের তাঁতের বিভিন্ন পোষাকের বেশ কদর ছিলো আদিবাসী ও বাঙালীদের। এসব পোষাকের মধ্যে অনেক বাঙালীদের বিশেষ করে মেয়েদের গায়ের চাদর ও ওড়না এবং গামছার চাহিদাও ছিল অনেক।

সর্বশেষ গাত ৯ থেকে ১০ বছর আগেও এসব এলাকায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের ধর্মীয় ও কৃষ্টির নানা অনুষ্ঠান এবং মেলায় তাদের তৈরী তাঁতের বোনা নানা পোষাকের সমারোহ ছিল। এখন যদিও ওই সব মেলায় তাদের সেসব পোষাক কিছু পাওয়া গেলেও তা বাইরে থেকে আমদানীকৃত। তাই স্থানীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের কৃষ্টি ও ঐতিহ্যবাহী পোষাক ধরে রাখতে ধ্বংস বা বন্ধ হয়ে যাওয়া তাঁত শিল্পকে পুনরোজ্জিবিত বা তৈরী করে তাদের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন বলে স্থানীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের নেতা এবং সচেতন মহল মনে করছেন। সেজন্য এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারের পাশপাশি জেলার বিত্তশালী এবং উদ্যোক্তারা এগিয়ে এলে ফিরে পাবে শেরপুর অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের কৃষ্টি ও ঐতিহ্য। সেইসাথে সারাদেশ ব্যাপী ফিরে পাওয়া দেশীয় পন্যের সমারোহ এবং শেরপুরের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের পোষাকও দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়বে

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2026 MH News 24
Theme Customized By MH News 24