1. admin@mhnews24.com : admin :
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নরসিংদীর মাধবদীতে দুইটি হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, অর্থ দন্ড আড়াইহাজার উপজেলা জামায়াতের হাইজাদী ইউনিয়নে ওয়ার্ড কর্মী-সম্মেলন অনুষ্ঠিত সিংড়ায় জামতলী-বামিহাল রাস্তা প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি আনু মদন পৌর সদরে কৃষকদের মাঝে ধানের বীজ বিতরণ করলেন মেয়র পদপ্রার্থী এনামুল হক কেন্দুয়ায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে হালট উদ্ধার অভিযান, বিরোধী পক্ষের লোক জন নিয়ে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ নরসিংদীতে মহাসড়কে ডিম ভেঙ্গে পোলট্রি খামারিদের প্রতিবাদ ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে দলিলকৃত জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাড়িতে আগুন ঘর বাড়ি ভাংচুর আদমদীঘিতে ধর্ষণ চেষ্টা মামলার আসামী ওসমান গ্রেপ্তার দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গঠনের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাংবাদিক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান শামীম তালুকদার (এম.এ) জনপ্রিয়তার শীর্ষে গলাচিপায় যৌথ অভিযানে ৩০টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ, আগুনে ধ্বংস

সংবাদ তৈরির অদেখা যুদ্ধ এবার বইয়ের পাতায়: সাংবাদিকতায় নতুন দিশা জেমস আব্দুর রহিম রানা’র নতুন গ্রন্থ “সংবাদিকতার হাতে খড়ি: সংবাদ লেখার কৌশল

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২ মে, ২০২৬
  • ৫৭ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:
খবরের কাগজ খুললেই আমরা দেখি একটি সাজানো, পরিপাটি সংবাদ। কিন্তু সেই সংবাদের পেছনে থাকে দীর্ঘ প্রস্তুতি, মাঠপর্যায়ের দৌড়ঝাঁপ, তথ্য সংগ্রহের চাপ, সিদ্ধান্ত গ্রহণের দ্রুততা এবং সত্য প্রকাশের নিরন্তর সংগ্রাম—যা সাধারণ পাঠকের চোখের আড়ালে থেকে যায়।
দ্রুত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল যুগে, যেখানে একটি সংবাদ মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বজুড়ে, সেখানে সাংবাদিকতার দক্ষতা, কৌশল, নির্ভুলতা এবং পেশাগত দায়িত্ববোধ আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ঠিক এই বাস্তবতাকেই কেন্দ্র করে সাংবাদিক ও লেখক জেমস আব্দুর রহিম রানা রচনা করেছেন নতুন গ্রন্থ “সংবাদিকতার হাতে খড়ি: সংবাদ লেখার কৌশল”।
প্রকাশের আগেই বইটি সাংবাদিকতা অঙ্গন, একাডেমিক মহল এবং তরুণ লেখক সমাজে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি কেবল নতুন সাংবাদিক তৈরির একটি নির্দেশিকা নয়; বরং মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকতার বাস্তব অভিজ্ঞতাকে কাঠামোবদ্ধভাবে উপস্থাপনের একটি সচেতন ও সময়োপযোগী প্রয়াস।
বইটিতে সংবাদ সংগ্রহ, তথ্য যাচাই, সম্পাদনা প্রক্রিয়া, এবং সময়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। মাঠের অভিজ্ঞতা ও পেশাগত বাস্তবতার আলোকে এতে এমনভাবে বিষয়গুলো উপস্থাপন করা হয়েছে, যা নতুন ও অভিজ্ঞ—উভয় শ্রেণির সাংবাদিকদের জন্যই সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।
বর্তমান সাংবাদিকতা শিক্ষার বড় একটি সীমাবদ্ধতা হিসেবে তত্ত্বনির্ভরতার কথা প্রায়ই আলোচিত হয়। সেই জায়গা থেকে এই বইটি বাস্তব অভিজ্ঞতাভিত্তিক একটি কার্যকর রোডম্যাপ উপস্থাপন করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা। যারা নতুনভাবে সাংবাদিকতা শুরু করতে চান, তাদের জন্য যেমন এতে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে, তেমনি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য তাত্ত্বিক জ্ঞানকে বাস্তব রিপোর্টিংয়ে প্রয়োগ করার কৌশলও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই গ্রন্থটি নতুন ও পুরাতন লেখকদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকদের জন্যও একটি অনবদ্য ও গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন। সাংবাদিকতা শিক্ষা ও চর্চার ক্ষেত্রে এটি একটি কার্যকর সহায়ক গ্রন্থ হিসেবে জায়গা করে নিতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
অভিজ্ঞ সাংবাদিকদের ক্ষেত্রেও বইটি নতুনভাবে ভাবনার সুযোগ তৈরি করতে পারে বলে মত বিশ্লেষকদের। সংবাদ লেখার ভাষা, কাঠামো, উপস্থাপনা এবং রিপোর্টিংয়ের গভীরতা নিয়ে এতে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে ডিজিটাল মিডিয়ার দ্রুতগতির যুগে সংবাদকে শুধু তথ্য নয়, বরং একটি কৌশলগত প্রক্রিয়া হিসেবে বোঝার প্রয়োজনীয়তাকে বইটি সামনে নিয়ে এসেছে।
গ্রন্থটিতে সংবাদ “গঠন”, “নির্বাচন” এবং “প্রভাব বিস্তার”—এই তিনটি দিককে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। কোন তথ্য কীভাবে অগ্রাধিকার পায়, কীভাবে একটি সংবাদ পাঠকের মনোযোগ আকর্ষণ করে এবং কীভাবে নির্ভুলতা বজায় রেখে দ্রুততম সময়ে সংবাদ পরিবেশন করা যায়—এসব বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক আলোচনা স্থান পেয়েছে।
এছাড়া বইটিতে ডিজিটাল সাংবাদিকতার পরিবর্তিত ধারা, সোশ্যাল মিডিয়া-নির্ভর নিউজ প্রসেসিং, এবং দ্রুত ভেরিফিকেশনের আধুনিক কৌশল নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে এটি কেবল প্রিন্ট সাংবাদিকতা নয়, অনলাইন ও মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতার ক্ষেত্রেও সমানভাবে উপযোগী হয়ে উঠেছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সাংবাদিকতা কেবল লেখার দক্ষতা নয়; বরং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, তথ্যের সত্যতা নিশ্চিতকরণ এবং ভাষার শক্তিশালী ব্যবহারের সমন্বয়ে গঠিত একটি প্রতিযোগিতামূলক পেশা। এই বাস্তবতাকে বইটি সহজ, প্রাঞ্জল ও প্রয়োগযোগ্যভাবে তুলে ধরেছে।
লেখক জেমস আব্দুর রহিম রানা বলেন, সাংবাদিকতা একটি চলমান শিক্ষার প্রক্রিয়া, যেখানে প্রতিনিয়ত নিজেকে আপডেট রাখতে হয়। সেই লক্ষ্য থেকেই তিনি এমন একটি গ্রন্থ রচনার চেষ্টা করেছেন, যা মাঠপর্যায়ের সাংবাদিক থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক—সবাইয়ের জন্যই সমানভাবে উপযোগী হবে। তাঁর প্রত্যাশা, বইটি নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করবে এবং পেশার প্রতি দায়িত্ববোধ আরও দৃঢ় করবে।
প্রকাশনা সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বইটির প্রি-অর্ডার কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং পাঠকদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, এটি সাংবাদিকতা শিক্ষায় একটি বাস্তবভিত্তিক ও গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স গ্রন্থ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।
সব মিলিয়ে, “সংবাদিকতার হাতে খড়ি: সংবাদ লেখার কৌশল” বইটি সাংবাদিকতা শিক্ষাকে আরও বাস্তবমুখী, দক্ষতাভিত্তিক এবং সময়োপযোগী দৃষ্টিভঙ্গিতে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2026 MH News 24
Theme Customized By MH News 24