1. admin@mhnews24.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কেশবপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত জনসেবা, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে আলোচনায় প্রভাষক গাজী ফারুকে আজম মেহেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘সম্প্রীতি অলিম্পিয়াড’ অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট অন্তর গফরগাঁও-মাওনা সড়ক ভূমি অধিগ্রহণে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে দালাল চক্র সিলেট বিভাগের চেলানদী রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তরের পদক্ষেপ, ৩৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা ইসলামের সুমহান আদর্শ সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে দাওয়াতি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে হবে। মুফতি সৈয়দ রিয়াজ আহমদ নরসিংদীর মাধবদীতে দুইটি হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, অর্থ দন্ড আড়াইহাজার উপজেলা জামায়াতের হাইজাদী ইউনিয়নে ওয়ার্ড কর্মী-সম্মেলন অনুষ্ঠিত সিংড়ায় জামতলী-বামিহাল রাস্তা প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি আনু

সুবিধাবাদীদের নয়, ত্যাগীদের নেতৃত্বে আনতে হবে: মোঃ আব্দুর রহিম

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
  • ১৭ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:
মোঃ আব্দুর রহিম একজন দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংগঠক, তৃণমূলভিত্তিক নেতা, সমাজসেবক এবং জনমুখী মানবিক ব্যক্তিত্ব, যিনি ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছেন। সততা, ত্যাগ, আদর্শ, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সাধারণ মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার মাধ্যমে তিনি নিজেকে একজন গ্রহণযোগ্য ও সম্মানিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা ছাত্র রাজনীতি থেকে। ১৯৯৪ সালে তিনি ইসলামপুর কলেজ ছাত্র সংসদে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রনেতা ও সাবেক এ.জি.এস (AGS) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি নেতৃত্ব, আন্দোলন-সংগ্রাম, সংগঠন পরিচালনা এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে তিনি দুরমুঠ ইউনিয়ন শাখা জাতীয়তাবাদী যুবদলের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় তিনি যুব সমাজকে সংগঠিত করা, সাংস্কৃতিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং রাজনৈতিক আদর্শভিত্তিক নেতৃত্ব গড়ে তোলার কাজে সক্রিয় ছিলেন।২০০১ সালে তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দল, দুরমুঠ ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। কৃষকদের অধিকার রক্ষা, তৃণমূলের মানুষের সমস্যা তুলে ধরা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে তিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন।২০১৪ সালে তিনি একই সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়ে তিনি রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, নেতৃত্বের পরিপক্বতা এবং কর্মী ব্যবস্থাপনায় বিশেষ দক্ষতার পরিচয় দেন। মাঠ পর্যায়ে কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা, আন্দোলন পরিচালনা এবং দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে তার ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়।
২০২৩ সালে তিনি জাতীয়তাবাদী তারেক জিয়ার প্রজন্ম দল, কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন। কেন্দ্রীয় পর্যায়ে এই দায়িত্ব পালন তার দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হয়। তিনি সংগঠন সম্প্রসারণ, নতুন নেতৃত্ব তৈরি, কর্মীদের সক্রিয় রাখা এবং সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।২০২৫ সালে তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দল, দুরমুঠ ইউনিয়ন শাখার সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এই দায়িত্বের মাধ্যমে তিনি পুনরায় তৃণমূল রাজনীতিতে আরও শক্তভাবে সম্পৃক্ত হন এবং জনগণের পাশে থেকে বাস্তব সমস্যার সমাধানে কাজ করে যাচ্ছেন।দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মোঃ আব্দুর রহিম বহুবার আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-হামলা, প্রতিকূলতা ও চাপের মুখোমুখি হয়েছেন। কিন্তু কখনো আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। তিনি বিশ্বাস করেন—ত্যাগী কর্মীরাই দলের প্রকৃত শক্তি এবং সুবিধাবাদী নয়, বরং পরীক্ষিত, সৎ ও নিবেদিত কর্মীদের নেতৃত্বে আনাই একটি শক্তিশালী সংগঠনের ভিত্তি।সম্প্রতি তিনি ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়নের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, রাজনীতির মাঠে যারা দিন-রাত পরিশ্রম করে, দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকে, ভোটকেন্দ্র পাহারা দেয়, হামলা-মামলার শিকার হয় এবং সংকটময় সময়ে রাজপথে নেমে আসে—তাদেরই প্রকৃত ত্যাগী কর্মী হিসেবে মূল্যায়ন করা উচিত।তিনি বলেন, “মাঠে থাকে ত্যাগী কর্মীরা, ভোট কেন্দ্র পাহারা দেয় ত্যাগী কর্মীরা, মারধর সহ্য করে ত্যাগী কর্মীরা, মামলা-হামলার শিকার হয় ত্যাগী কর্মীরা; কিন্তু কমিটিতে জায়গা পেয়ে যায় অনেক সময় সুবিধাবাদীরা। এই নীতি জরুরি ভিত্তিতে পরিবর্তন করা প্রয়োজন।”
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অনেক রাজনৈতিক সংগঠনে দেখা যাচ্ছে—যারা শুধু সুবিধার সময় সামনে আসে, তারাই গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থান পাচ্ছে। অথচ যারা দলের দুঃসময়ে পাশে থাকে, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখে, তাদের অনেক সময় উপেক্ষা করা হয়। এতে প্রকৃত কর্মীদের মাঝে হতাশা তৈরি হয় এবং সাংগঠনিক শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে।মোঃ আব্দুর রহিম মনে করেন, একটি রাজনৈতিক দলের মূল শক্তি হলো তার তৃণমূলের ত্যাগী কর্মীরা। তাদের শ্রম, সাহস, ধৈর্য ও আত্মত্যাগের ওপরই একটি সংগঠনের ভিত্তি দাঁড়িয়ে থাকে। যদি এই কর্মীদের যথাযথ সম্মান, মূল্যায়ন ও নেতৃত্বের সুযোগ না দেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে দুঃসময়ে দলের পাশে কাউকে খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে যাবে।তিনি বলেন, “বিপদ আসলে ত্যাগী কর্মীরাই দৌড়ে রাজপথে নামে, জনগণের পাশে দাঁড়ায়, দলের জন্য নিজের স্বার্থ ত্যাগ করে। কিন্তু সুবিধাবাদীরা সংকটের সময় পালিয়ে যায়। তাই নেতৃত্ব বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ত্যাগ, আদর্শ, সততা ও কর্মদক্ষতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।”
তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর নীতিনির্ধারকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ত্যাগী, পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত কর্মীদের সামনে নিয়ে আসতে হবে। শুধুমাত্র ব্যক্তিগত স্বার্থ, লবিং বা সুযোগসন্ধানী রাজনীতির মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্ধারণ করলে সংগঠনের ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।
তিনি আরও বলেন, দলকে শক্তিশালী, জনমুখী এবং টেকসই করতে হলে সুবিধাবাদী রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে ত্যাগী কর্মীদের যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করাই হবে সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও মনে করেন, তৃণমূলের নিবেদিত কর্মীদের মূল্যায়ন ছাড়া কোনো দল দীর্ঘমেয়াদে সফল হতে পারে না। সংগঠনের প্রাণশক্তি ধরে রাখতে হলে ত্যাগীদের সম্মান এবং নেতৃত্বে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।মোঃ আব্দুর রহিমের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা, তৃণমূলের সাথে গভীর সংযোগ এবং মানবিক নেতৃত্ব তাকে সমাজে একজন সম্মানিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, বরং একজন সংগ্রামী, দায়িত্বশীল এবং জনমানুষের পাশে থাকা নেতৃত্বের প্রতীক।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2026 MH News 24
Theme Customized By MH News 24