
মোঃ সোয়েল রানা, রুহিয়া (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: রুহিয়া উপজেলার ৬নং সেনুয়া ইউনিয়নের পাটিয়াডাঙ্গী বাজার থেকে মুন্সির হাট যাওয়ার পথে ১নং মোলানখুড়ী এলাকার আব্দুল জলিলের বাড়ি সংলগ্ন সেতুটি যেন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা সুত্রে জানা গেছে, বিগত ৪ মাস পূর্বে ওই এলাকার পাকা রাস্তাটি নির্মাণের পরপরই রোড রোলারের চাকায় পিষ্ঠ হয়ে সেতুটি ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায়। কিন্তু অদ্যাবধি সেতুটির সংস্কার কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় পাটিয়াডাঙ্গী থেকে মুন্সির হাট, ভুল্লী, লক্ষির হাট পর্যন্ত যাতায়াতের ক্ষেত্রে চরম বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, কৃষক, গাড়ি চালক সহ সাধারন পথচারিরা। সরজমিনে পরিদর্শনে কথা হয় ৬নং সেনুয়া ইউনিয়নের ১নং মোলাখুড়ী ওয়ার্ডের মোলানখুড়ী গ্রামের আব্দুল জলিল, কায়সার আলী, সন্তোষ কুমার সহ পথচারিদের সংঙ্গে। তারা আক্ষেপের সুরে জানান, ইতিমধ্যে এই সেতুতে ৪টি দূর্ঘটনা ঘটেছে। প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে ব্রিজ পার হয়ে প্রায় ৩ হাজার লোক পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করে। কিন্তু জনবহুল এই সেতুটি ভেঙ্গে যাওয়ার ৪ মাস অতিবাহিত হয়ে যাওয়ার পরেও সরকারের কর্তাব্যক্তিদের নজরে আসেনি। আমরা জনগুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটির সেতুটি সংস্কারের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের আশু সু-দৃষ্টি কামরা করি। তারা আরো জানান, অদ্য ০১ জুলাই ২০২৬খ্রি. সেনুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতি সেতুটি পরির্দশন করেছেন এবং ব্যাক্তিগত অর্থায়নে তিনি সেতুটি সংস্কার কার্যক্রম চালু করবেন বলে জানান। কিন্তু জনগণ সাময়িক এই কাজে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। ওই এলাকার স্থানীয় বিএনপি নেতা এবং আসন্ন সেনুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো: আবু সাইদ বলেন, সেতুটি ভেঙ্গে যাওয়ায় জনগণকে প্রতিনিয়ত চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আমার জানামতে গত ৩ দিন আগের রাতে একজন সাইকেল আরোহী উক্ত ব্রিজের গর্তে পরে গিয়ে হাত পা ভেঙ্গে গিয়ে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। রুহিয়া উপজেলার ভারপ্রাপ্ত প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো: মাবুদ হোসেন বলেন, ওই সেতুর কাজটি আমাদের না, ওটি সেনুয়া ইউনিয়ন পরিষদের কাজ। মতি চেয়ারম্যান এর সঙ্গে কথা হয়েছে তিনি কাজটি শুরুও করেছেন।