1. admin@mhnews24.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কেশবপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত জনসেবা, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে আলোচনায় প্রভাষক গাজী ফারুকে আজম মেহেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘সম্প্রীতি অলিম্পিয়াড’ অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট অন্তর গফরগাঁও-মাওনা সড়ক ভূমি অধিগ্রহণে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে দালাল চক্র সিলেট বিভাগের চেলানদী রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তরের পদক্ষেপ, ৩৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা ইসলামের সুমহান আদর্শ সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে দাওয়াতি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে হবে। মুফতি সৈয়দ রিয়াজ আহমদ নরসিংদীর মাধবদীতে দুইটি হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, অর্থ দন্ড আড়াইহাজার উপজেলা জামায়াতের হাইজাদী ইউনিয়নে ওয়ার্ড কর্মী-সম্মেলন অনুষ্ঠিত সিংড়ায় জামতলী-বামিহাল রাস্তা প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি আনু

আলোচিত ডাক্তার রাফসান জনি অবশেষে আটক: সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা, ধর্ষণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে ছিলেন আলোচনায়

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬
  • ৩৭ বার পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট

যশোরের মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আলোচিত চিকিৎসক ডা. রাফসান জনি অবশেষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হয়েছেন। শনিবার (২৪ মে) রাতে কোতোয়ালী থানাধীন বাহাদুরপুর এলাকার রজনীগন্ধা তেল পাম্পের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে নানা বিতর্ক, ধর্ষণ মামলা, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের ঘটনায় আলোচনায় ছিলেন তিনি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ডা. রাফসান জনির বিরুদ্ধে প্রথমে তার শ্যালিকা সামিয়া আফরোজ বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্ক, ভিডিও ধারণ, ব্ল্যাকমেইল ও ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন। পরে এ ঘটনায় মণিরামপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের হয়। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যমতে, ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন—দীর্ঘদিন তাকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে রাখা হয় এবং আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ভয়ভীতি দেখানো হতো।

ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে ব্যাপক সংবাদ প্রকাশিত হলে ডা. রাফসান জনি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। তিনি যশোর প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ করেন, কয়েকজন সাংবাদিক তার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেছেন। তার দাবি ছিল, মামলা ও সংবাদ প্রকাশ বন্ধ রাখার নামে প্রথমে ৩০ হাজার টাকা এবং পরে ২০ লাখ টাকা দাবি করা হয়।

পরবর্তীতে ডা. রাফসান জনি যশোরের একাধিক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীর নাম উঠে আসে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তদের মধ্যে ছিলেন সাংবাদিক আসিফ আকবর সেতু, সাকিরুল কবীর রিটন, হাসিবুর রহমান শামীমসহ আরও কয়েকজন। মামলায় তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়।

তবে বিষয়টি সেখানেই থেমে থাকেনি। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকেও পাল্টা মামলা দায়ের করা হয়। এশিয়ান টিভির যশোর প্রতিনিধি হাসিবুর রহমান শামীম আদালতে মামলা করে অভিযোগ করেন, ডা. রাফসান জনি ও তার সহযোগীরা তাকে মারধর, প্রাণনাশের হুমকি এবং চাঁদা দাবি করেছেন। আদালত পরে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেন।

এছাড়াও ডা. রাফসান জনির বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকার মানহানি মামলার খবরও বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। অভিযোগ ওঠে, সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে করা বক্তব্যে কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীর সামাজিক ও পেশাগত সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে।

এদিকে ধর্ষণ মামলার পর থেকেই ডা. রাফসান জনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়। কয়েকটি প্রতিবেদনে তাকে “পলাতক” হিসেবেও উল্লেখ করা হয় এবং সাংবাদিক সংগঠনগুলো দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানায়।

সবশেষে শনিবার রাতে কোতোয়ালী থানাধীন বাহাদুরপুর রজনীগন্ধা তেল পাম্পের সামনে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটকের খবর ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। তবে কোন মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে কিংবা পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ কী হবে—সেই বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2026 MH News 24
Theme Customized By MH News 24