
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি | ১০ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর কাউন্সিলর হিসেবে মনোনীত হওয়ায় মৌলভীবাজার পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী জনাব মনোয়ার আহমেদ রহমানকে বিভিন্ন মহল থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
এদিকে, এই মনোনয়নের আনন্দের মধ্যেই মানবিক দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়ে শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ১১টা থেকে মৌলভীবাজারের বন্যাকবলিত এলাকায় পানিবন্দী অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন তিনি। তার নেতৃত্বে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা মৌলভীবাজার পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড ও ৬ নং ওয়ার্ডের মনু নদীর তীরবর্তী বন্যাকবলিত এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে পানিবন্দী পরিবারের হাতে রান্না করা ভাত, ডাল ও মোরগের মাংস পৌঁছে দেন।
খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে মনোয়ার আহমেদ রহমান বলেন, দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। মানবিক সংকটে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি জানান, এই ত্রাণ ও খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম মৌলভীবাজারের সংসদ সদস্য এম. নাসের রহমানের নির্দেশনায় পরিচালিত হয়। এ সময় বন্যাদুর্গত মানুষের খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার আশ্বাসও দেওয়া হয়।
খাদ্য বিতরণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শ্যামলী সূত্রধর, মৌলভীবাজার পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সারওয়ার মজুমদার ইমন, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, মৌলভীবাজার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম সোহেল, মৌলভীবাজার জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান মফিজ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মাহিন খান লিটুসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক গোবিন্দ সরকার, কেশব ধর, কানন দাশ, রাজন পাল, আলম মিয়া ও কাদির মিয়া, জহির ইসলামসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বন্যার কারণে বিশেষ করে মনু নদীর তীরবর্তী ১ নং ও ৬ নং ওয়ার্ডের অনেক পরিবার চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে মনোয়ার আহমেদ রহমানের নেতৃত্বে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্য পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ বন্যার্ত মানুষের মধ্যে স্বস্তি এনে দিয়েছে। তারা এই মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং দুর্যোগকালীন সময়ে এ ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।