1. admin@mhnews24.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কেশবপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত জনসেবা, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে আলোচনায় প্রভাষক গাজী ফারুকে আজম মেহেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘সম্প্রীতি অলিম্পিয়াড’ অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট অন্তর গফরগাঁও-মাওনা সড়ক ভূমি অধিগ্রহণে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে দালাল চক্র সিলেট বিভাগের চেলানদী রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তরের পদক্ষেপ, ৩৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা ইসলামের সুমহান আদর্শ সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে দাওয়াতি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে হবে। মুফতি সৈয়দ রিয়াজ আহমদ নরসিংদীর মাধবদীতে দুইটি হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, অর্থ দন্ড আড়াইহাজার উপজেলা জামায়াতের হাইজাদী ইউনিয়নে ওয়ার্ড কর্মী-সম্মেলন অনুষ্ঠিত সিংড়ায় জামতলী-বামিহাল রাস্তা প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি আনু

বর্ণি বাওড়ে এখনো চলে খেয়া, বৈঠা হাতে রসুলের জীবনসংগ্রাম

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬
  • ১৭ বার পঠিত

মো. শিহাব উদ্দিন
গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বর্ণি বাওড়ে সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে অনেক কিছু। যোগাযোগব্যবস্থায় এসেছে আধুনিকতার ছোঁয়া। তবে থেমে নেই খেয়া নৌকার চলাচল। এখনো বর্ণি ও কুশলী ইউনিয়নের মানুষের যাতায়াতের অন্যতম ভরসা এই খেয়া।
বর্ণি ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. রসুল খান দীর্ঘদিন ধরে খেয়া নৌকা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তিনি বাকপ্রতিবন্ধী। প্রতিদিন বাওড় পারাপার করে গড়ে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা আয় করেন। প্রতি যাত্রীর কাছ থেকে ভাড়া নেন ১০ টাকা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সপ্তাহে দুই দিন কুশলী হাট বসে। ওই দুই দিন বাওড় পারাপারে যাত্রীর চাপ বেড়ে যায়। ফলে রসুল খানের আয়ও কিছুটা বাড়ে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে এই পথে কালাম শেখ, হাশেম ও কায়সারসহ কয়েকজন মাঝি খেয়া চালিয়েছেন। বর্তমানে রসুল খান একাই নিয়মিত খেয়া পারাপারের কাজ করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মধুমতী নদীর গতিপথ পরিবর্তনের ফলে বর্ণি বাওড়ের সৃষ্টি। এটি শুধু একটি জলাভূমি নয়, দুই পাড়ের মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক যোগাযোগেরও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। বাওড়টিতে দেশীয় মাছের বিচরণ রয়েছে। পাশাপাশি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে এটি এলাকার অন্যতম আকর্ষণ।
আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থার এই সময়েও বর্ণি বাওড়ে খেয়া নৌকার চলাচল স্থানীয় মানুষের কাছে পুরোনো ঐতিহ্যের স্মৃতি ধরে রেখেছে। আর সেই ঐতিহ্যের সঙ্গে নিজের জীবিকার বন্ধন তৈরি করে প্রতিদিন বৈঠা হাতে নৌকা চালিয়ে যাচ্ছেন মাঝি রসুল খান।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2026 MH News 24
Theme Customized By MH News 24