1. admin@mhnews24.com : admin :
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নরসিংদীর মাধবদীতে দুইটি হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, অর্থ দন্ড আড়াইহাজার উপজেলা জামায়াতের হাইজাদী ইউনিয়নে ওয়ার্ড কর্মী-সম্মেলন অনুষ্ঠিত সিংড়ায় জামতলী-বামিহাল রাস্তা প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি আনু মদন পৌর সদরে কৃষকদের মাঝে ধানের বীজ বিতরণ করলেন মেয়র পদপ্রার্থী এনামুল হক কেন্দুয়ায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে হালট উদ্ধার অভিযান, বিরোধী পক্ষের লোক জন নিয়ে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ নরসিংদীতে মহাসড়কে ডিম ভেঙ্গে পোলট্রি খামারিদের প্রতিবাদ ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে দলিলকৃত জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাড়িতে আগুন ঘর বাড়ি ভাংচুর আদমদীঘিতে ধর্ষণ চেষ্টা মামলার আসামী ওসমান গ্রেপ্তার দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গঠনের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাংবাদিক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান শামীম তালুকদার (এম.এ) জনপ্রিয়তার শীর্ষে গলাচিপায় যৌথ অভিযানে ৩০টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ, আগুনে ধ্বংস

কুমিল্লায় আট মাসেও উদ্ঘাটন হয়নি মিলন আক্তার হত্যা রহস্য, সিসিটিভি ফুটেজ লোপাটের অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬
  • ৩৬ বার পঠিত

বুড়িচং কুমিল্লা প্রতিনিধি।।

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কোরপাই গ্রামের বাসিন্দা মিলন আক্তার (৫৬) হত্যাকাণ্ডের আট মাস পার হলেও এখনো রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় তদন্তকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ সিসিটিভি ফুটেজ লোপাট ও ৪৫ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ তুলেছে নিহতের পরিবার।

সোমবার (১ জুন) দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিহতের পরিবারের সদস্যরা এসব অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নিহতের মেজো মেয়ে ও মামলার বাদী তানজিনা আক্তার, তার স্বামী ডা. সাইফুল ইসলাম, বড় মেয়ে ইসরাত জাহান তানিয়া, তার স্বামী এনামুল হাসান তারেক এবং নিহতের মা নূরজাহান বেগম।

তারা জানান, ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর রাতে কুমিল্লা মহানগরীর রেসকোর্স এলাকার একটি ভাড়া বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে মিলন আক্তারকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরদিন ১৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ১৮ অক্টোবর নিহতের মেজো মেয়ে তানজিনা আক্তার অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শরীফ ইবনে আলম ও উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ হোসেন আট মাসেও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেননি। বরং হত্যাকাণ্ডের সময়কার গুরুত্বপূর্ণ সিসিটিভি ফুটেজ হারিয়ে ফেলেছেন বলেও দাবি করেন স্বজনরা।

এছাড়া তদন্তের অগ্রগতির আশ্বাস দিয়ে প্রথমে ২৫ হাজার টাকা এবং পরে তদন্ত কর্মকর্তার বিকাশ নম্বরে আরও ২০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।

নিহতের পরিবারের দাবি, সুষ্ঠু তদন্তের অভাবে প্রকৃত অপরাধীরা এখনো আইনের আওতার বাইরে রয়েছে। তারা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

অভিযোগের বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শরীফ ইবনে আলম বলেন, হত্যা মামলাটি নিয়ে আমরা একাধিকবার তদন্ত করেছি এবং একজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। তবে তার কাছ থেকে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঘুষ গ্রহণের বিষয়ে তিনি বলেন, বাদীপক্ষের কাছ থেকে চাপ প্রয়োগ করে কোনো টাকা নেওয়া হয়নি। তারা স্বেচ্ছায় টাকা দিয়েছে। এছাড়া সিসিটিভির ফুটেজ আমাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাইফুল মালেক বলেন, ঘুষ গ্রহণ ও তথ্য লোপাটের অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2026 MH News 24
Theme Customized By MH News 24