1. admin@mhnews24.com : admin :
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নরসিংদীর মাধবদীতে দুইটি হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, অর্থ দন্ড আড়াইহাজার উপজেলা জামায়াতের হাইজাদী ইউনিয়নে ওয়ার্ড কর্মী-সম্মেলন অনুষ্ঠিত সিংড়ায় জামতলী-বামিহাল রাস্তা প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি আনু মদন পৌর সদরে কৃষকদের মাঝে ধানের বীজ বিতরণ করলেন মেয়র পদপ্রার্থী এনামুল হক কেন্দুয়ায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে হালট উদ্ধার অভিযান, বিরোধী পক্ষের লোক জন নিয়ে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ নরসিংদীতে মহাসড়কে ডিম ভেঙ্গে পোলট্রি খামারিদের প্রতিবাদ ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে দলিলকৃত জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাড়িতে আগুন ঘর বাড়ি ভাংচুর আদমদীঘিতে ধর্ষণ চেষ্টা মামলার আসামী ওসমান গ্রেপ্তার দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গঠনের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাংবাদিক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান শামীম তালুকদার (এম.এ) জনপ্রিয়তার শীর্ষে গলাচিপায় যৌথ অভিযানে ৩০টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ, আগুনে ধ্বংস

ছাতকে আওয়ামীলীগ নেতার পছন্দের চালককে বাঁচাতে মরিয়া এসিল্যান্ড।

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ২৯ বার পঠিত

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে সরকারি কম্পিউটার ব্যবহারকারী সেই বিতর্কিত ও আওয়ামীলীগ নেতার পছন্দের গাড়ি চালক ইজাজুল এখনও বহাল তবিয়তে আছেন। তাকে রক্ষা করতে সরাসরি পক্ষ নিয়েছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ মোজাহিদুল ইসলাম। জানা যায়, ছাতক উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুর রহমানের আস্থাভাজন হওয়ায় পূর্বের গাড়ি চালক আবুল হোসেনকে চাকুরীচ্যুত করে বিশ্বনাথ থেকে ছাতক উপজেলা পরিষদের গাড়ি চালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় ইজাজুল কে। তখন চাকুরী হারিয়ে লাইভে এসে অজরে কেঁদেছিলেন আবুল হোসেন। ২০২৪ সালের ২৯ মে ছাতক উপজেলা পরিষদের ৬ষ্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তীব্র হয়ে ওঠে জুলাই আন্দোলন। এ আন্দোনের মুখে পালিয়ে যায় আওয়ামীলীগ সরকার। এরপর সারা দেশের ন্যায় ছাতক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব প্রত্যাহার করা হয়। কিন্তু গাড়ি চালক ইজাজুল থেকে যান উপজেলা পরিষদের কোয়ার্টারে। বর্তমানে সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর স্থায়ী চালক না থাকায় তিনি ডেইলি বেসিসে এসিল্যান্ডের গাড়ি চালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই সুযোগে তিনি এসিল্যান্ড অফিসে আধিপত্য বিস্তার করার অভিযোগ উটেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, এসিল্যান্ড কার্যালয়ের মেঘনা কক্ষে অন্যান্য স্টাফদের সঙ্গে নিয়মিত সরকারি কম্পিউটারে কাজ করছে দেখা যায় ইজাজুলকে। এমন কি ওই ক্ষকের দায়ীত্বরত স্টাফরা না থাকলেও তিনি কম্পিউটারে কাজ করতে দেখা যায়। একটি সুত্র জানিয়েছে ওই কম্পিউটারে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি চিঠিপত্র টাইপিং ও ই-মেইল আদান-প্রদান করা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সুবিধাভোগী জানান সরকারী ভুমি লীজ আবেদনের পর ইজাজুলের মাধ্যমে একটি তদন্ত প্রতিবেনের সারাংশ সংগ্রহ করেছেন তিনি। অভিযোগ উটেছে এসিল্যান্ডের পছন্দের লোক হওয়ায় প্রতিদিন বিভিন্ন তদবির ও দালালীতে জড়িয়ে পড়ছেন তিনি এবং পুরো কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার শুরু করেছেন।
গত ৩ মে (রোববার) প্রতিদিনের মতো অফিস কক্ষে সরকারি কম্পিউটারে কাজ করছিলেন ইজাজুল। এ সময় এক গ্রাহক গোপনে তার ভিডিও ধারণ করেন। পরে ভিডিওটি গণমাধ্যমকর্মীদের হাতে পৌঁছায়। বিষয়টি নিয়ে চালক ও এসিল্যান্ডের বক্তব্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ হলেও এখনো কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এদিকে, সরকারি কম্পিউটার ব্যবহারের মতো গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও এখনো গঠন করা হয়নি কোনো তদন্ত কমিটি। ফলে অভিযুক্ত ব্যক্তি পার পেয়ে গিয়ে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, সাবেক রাজনৈতিক নেতার ঘনিষ্ঠ হওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ সরকারি তথ্য ফাঁসের ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে, যা সরকারি কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে।
এ বিষয়ে জানতে মঙ্গলবার বিকেলে এসিল্যান্ড কার্যালয়ে গেলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ মোজাহিদুল ইসলাম নিজেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার আখ্যা দিয়ে বলেন,
ওই কম্পিউটারে কিছুই নেই। ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করতেই পারে। এটি যে কেউ ব্যবহার করতে পারবে! চাইলে আপনারা (সংবাদকর্মীরা) ব্যবহার করতে পারেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন আমার গাড়ি চালক এখানে বসতেই পারে।
তিনি আরও বলেন আমার স্থায়ী গাড়ি চালক নেই,যে আছে সে ডেইলি বেসিসের। প্রয়োজনে তাকে বাদ দিতে পারি, কিন্তু আমি চলব কীভাবে? প্রায় ২০ মিনিট আলোচনার পরও তিনি এ বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বুঝাতে চেষ্টা করেছেন এটা কোন বিষয়ই না। তার এই বক্তব্যের কিছু অংশকে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা ‘অপেশাদার’ ও ‘দায়সারা’ বলে মন্তব্য করেছেন। দায়িত্বশীল ব্যক্তির এমন বক্তব্যকে প্রশ্নবিদ্ধ ও রহস্যজনক বলেও মনে করছেন তারা।

তবে এ বিষয়ে ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়ীত্বে থাকা দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরুপ সিং বলেন অফিসের দায়ীত্বের জন্য আলাদা আলাদা লোক রয়েছে, গাড়ি চালকের কাজ গাড়ি চালানো, কম্পিটার চালানো নয়, আমি তাকে সতর্ক করে দেব।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2026 MH News 24
Theme Customized By MH News 24