
মণিরামপুর(যশোর)প্রতিনিধি:-
যশোরের মণিরামপুরে সাংবাদিক পরিচয়কে হাতিয়ার বানিয়ে চলছে বেপরোয়া চাঁদাবাজি। নেহালপুর ইউনিয়নের সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান (মস্তোর) বিরুদ্ধে ঘের মালিকসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষকে জিম্মি করে ‘মাসোহারা’ আদায় এবং দাবিকৃত ‘উৎকোচ’ না দিলে প্রশাসনকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে হয়রানির ভয়াবহ অভিযোগ উঠেছে।
নেহালপুরের এক ভুক্তভোগী ঘের মালিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “উপজেলা প্রশাসনের লিখিত অনুমতি নিয়ে আমি আমার পুরাতন ঘের সংস্কার করছিলাম। ঠিক তখনই নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়া মস্তো আমার কাছে মোটা অঙ্কের ‘নজরানা’ দাবি করে। আমি তার ‘আবদার’ প্রত্যাখ্যান করতেই সে আমার পেছনে লাগে। প্রশাসনের দপ্তরে দপ্তরে আমার নামে বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দিয়ে কাজ বন্ধ করানোর পাঁয়তারা চালায়।”স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু ঘের মালিক নয়, এলাকার সাধারণ ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে খেটে খাওয়া মানুষ-সবাই এই কথিত সাংবাদিকের ‘টার্গেট’। ‘হপ্তা’ বা ‘বখরা’ না দিলেই নেমে আসে হুমকি-ধমকি আর মিথ্যা মামলার খড়গ। তার বিরুদ্ধে মোটরসাইকেল চুরির মতো গুরুতর অপরাধের অভিযোগও দীর্ঘদিনের।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য জানতে গত বুধ ও আজ বৃহস্পতিবার একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো সাড়া মেলেনি। কল রিসিভ করেননি। এবিষয়ে মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: সম্রাট হোসেনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।”এলাকাবাসীর দাবি, সাংবাদিকতার পবিত্রতাকে যারা ‘চাঁদাবাজির লাইসেন্স’ বানিয়েছে, প্রশাসন যেন দ্রুত তাদের মুখোশ উন্মোচন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করে।