
মেলান্দহ (জামালপুর) প্রতিনিধি:
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার দুরমুঠ ইউনিয়নের সাবেক তিনবারের নির্বাচিত সফল চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সৈয়দ রাশেদুজ্জামান অপু মিয়া-এর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তিনি দুরমুঠ ইউনিয়নের জনগণের সেবা, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং সামাজিক কল্যাণমূলক বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। পরপর তিনবার জনগণের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়া তার জনপ্রিয়তা ও জনআস্থারই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি “জামালপুর হালচাল” নামের একটি ফেসবুক পেইজ থেকে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। এসব প্রচারণার মাধ্যমে তার সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তার সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে তথ্য প্রকাশের আগে যথাযথ যাচাই-বাছাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভিত্তিহীন তথ্য ও গুজব সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং একজন ব্যক্তির দীর্ঘদিনের অর্জিত সুনামকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে।
এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জানান, চেয়ারম্যান থাকাকালে সৈয়দ রাশেদুজ্জামান অপু মিয়া রাস্তা-ঘাট উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার মাধ্যমে ইউনিয়নের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
এ বিষয়ে তার সমর্থকরা বলেন, রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে একটি স্বার্থান্বেষী মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদেরও যাচাইবিহীন তথ্য শেয়ার না করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। তাদের মতে, সত্যতা নিশ্চিত না করে কোনো তথ্য প্রচার করলে ব্যক্তি, সমাজ এবং রাষ্ট্র—সবার জন্যই নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি হতে পারে।
সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, অপপ্রচার ও গুজবের পরিবর্তে তথ্যভিত্তিক এবং দায়িত্বশীল গণমাধ্যম চর্চাই একটি সুস্থ ও গণতান্ত্রিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।