1. admin@mhnews24.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নওগাঁয় বায়ুদূষণ রোধে মোবাইল কোর্ট, দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা নওহাটা মোড়ে তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা কেশবপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত জনসেবা, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে আলোচনায় প্রভাষক গাজী ফারুকে আজম মেহেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘সম্প্রীতি অলিম্পিয়াড’ অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট অন্তর গফরগাঁও-মাওনা সড়ক ভূমি অধিগ্রহণে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে দালাল চক্র সিলেট বিভাগের চেলানদী রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তরের পদক্ষেপ, ৩৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা ইসলামের সুমহান আদর্শ সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে দাওয়াতি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে হবে। মুফতি সৈয়দ রিয়াজ আহমদ নরসিংদীর মাধবদীতে দুইটি হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, অর্থ দন্ড

ডুমুরিয়ায় বাঁশ ঝাড় ও বাগান পরিদর্শন করলেন উপজেলা কৃষি অফিসার

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬
  • ৮ বার পঠিত

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা):
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় বাঁশ চাষের বর্তমান অবস্থা ও সম্ভাবনা যাচাই করতে এক মাঠ পরিদর্শন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকাল ৫টায় ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নের টিপনা গ্রামের সফল বাঁশ চাষী শেখ আমজাদ হোসেন ও শেখ সিরাজুল ইসলামের টিপনা মৌজায় অবস্থিত বাঁশ ঝাড় ও বাগান পরিদর্শন করেন ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদা।
​পরিদর্শনকালে তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা (এসএপিপিও) আলী হাসান, ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহতাব হোসেন এবং স্থানীয় বাঁশ চাষী শেখ জিন্নাত আলী।
​পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং চাষীরা বাঁশ চাষের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও উপজেলার গ্রামীণ অর্থনীতিতে এর প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও সাক্ষাৎকার প্রদান করেন।
​কর্মকর্তাদের বিস্তারিত সাক্ষাৎকার ও বক্তব্য
​উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদা বলেন:
​”বাঁশ আমাদের গ্রামীণ অর্থনীতি ও পরিবেশের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। টিপনা গ্রামের শেখ আমজাদ হোসেন ও শেখ সিরাজুল ইসলামের বাঁশ বাগানটি ঘুরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। ডুমুরিয়ার মাটি ও আবহাওয়া বাঁশ চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। বর্তমানে গৃহনির্মাণ, কুটির শিল্প এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক কাজে বাঁশের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। আমরা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে স্থানীয় চাষীদের বাঁশের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বাঁশঝাড়ের সঠিক পরিচর্যা ও রোগবালাই দমনে সব ধরনের কারিগরি সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত আছি। এটি অল্প খরচে একটি অত্যন্ত লাভজনক খাত হতে পারে।”
​উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা (এসএপিপিও) আলী হাসান বলেন:
​”বাঁশ চাষে সাধারণত খুব বেশি কীটনাশক বা সারের প্রয়োজন হয় না, তবে সঠিক সময়ে বাঁশঝাড়ের গোড়া পরিষ্কার করা এবং বাঁশের কঞ্চি ছাঁটাই করা প্রয়োজন। টিপনা মৌজার এই বাগানটিতে বাঁশের বৃদ্ধি বেশ আশাব্যঞ্জক। তবে কিছু ক্ষেত্রে বাঁশের পাতামোড়ানো বা গোড়া পচা রোগ দেখা দিতে পারে, যা আমরা নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কৃষকদের সচেতন করছি। সঠিক নিয়মে বাঁশ কাটলে এবং ঝাড়ের যত্ন নিলে দীর্ঘদিন এখান থেকে ভালো আয় করা সম্ভব।”
​চাষীর প্রতিক্রিয়া ও অভিজ্ঞতা
​বাঁশ চাষী শেখ জিন্নাত আলী বলেন:
​”আমাদের এলাকায় ঐতিহ্যগতভাবেই বাঁশের একটা ভালো চাহিদা রয়েছে। শেখ আমজাদ ও সিরাজুল ভাইয়ের এই উদ্যোগ দেখে আমরাও বাঁশ চাষে আরও উৎসাহিত হচ্ছি। বাঁশ চাষের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, একবার ঝাড় তৈরি হয়ে গেলে প্রতি বছরই সেখান থেকে বাঁশ বিক্রি করা যায়। তবে সরকারিভাবে যদি আমাদের উন্নত জাতের বাঁশের চারা এবং আধুনিক চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে আরও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, তবে ডুমুরিয়ার অনেক পতিত জমিতে বাঁশ চাষ করে কৃষকরা ভাগ্যবদল করতে পারবেন।”
​পরিদর্শন শেষে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বাগান মালিকদের বাঁশঝাড়ের আরও উন্নত পরিচর্যা করার জন্য বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন এবং এলাকার অন্যান্য কৃষকদেরও বাড়ির আশেপাশের পতিত জমিতে বাঁশ চাষ করার আহ্বান জানান।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2026 MH News 24
Theme Customized By MH News 24