1. admin@mhnews24.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:২০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নজিপুরে তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা নওগাঁয় বায়ুদূষণ রোধে মোবাইল কোর্ট, দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা নওহাটা মোড়ে তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা কেশবপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত জনসেবা, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে আলোচনায় প্রভাষক গাজী ফারুকে আজম মেহেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘সম্প্রীতি অলিম্পিয়াড’ অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট অন্তর গফরগাঁও-মাওনা সড়ক ভূমি অধিগ্রহণে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে দালাল চক্র সিলেট বিভাগের চেলানদী রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তরের পদক্ষেপ, ৩৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা ইসলামের সুমহান আদর্শ সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে দাওয়াতি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে হবে। মুফতি সৈয়দ রিয়াজ আহমদ

রেলওয়ের জমিতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া: সরকারি সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের দাবির পাশাপাশি উত্থাপিত হলো নানা অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:-ই.ক.ম.জ.ড.উজ্জ্বল

রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন সরকারি জমিতে চলমান উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। একদিকে প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সরকারি সম্পত্তি পুনরুদ্ধার ও স্টেশন এলাকার শৃঙ্খলা ফেরানোর পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানানো হচ্ছে, অন্যদিকে উচ্ছেদ হওয়া ব্যক্তিদের পুনর্বাসন ও মানবিক দিক নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

উচ্ছেদ অভিযানের সমর্থকদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রেলওয়ের জমি অবৈধভাবে দখল করে অনেক ব্যক্তি ও ব্যবসায়ী বসবাস ও ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কেউ ৪০ বছর, কেউ ৫০ থেকে ৭০ বছর ধরে ওই জমিতে অবস্থান করার দাবি করছেন। সমর্থকদের অভিযোগ, এই দীর্ঘ সময়ে সরকারি সম্পত্তি ব্যবহার করে কেউ কেউ বিদ্যুৎ চুরি, অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ এবং বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা ভোগ করেছেন।

তাদের আরও দাবি, স্টেশন এলাকায় গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনার কারণে যাত্রীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হতো, পরিবেশ নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছিল এবং বিভিন্ন সময় যাত্রীদের হয়রানি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগও পাওয়া যেত। যদিও এসব অভিযোগের সবগুলোর স্বাধীন বা বিচারিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

সমর্থকদের মতে, প্রকৃত হকাররা সাধারণত চলমানভাবে বিভিন্ন স্থানে পণ্য বিক্রি করেন এবং স্থায়ী দোকান বা অবকাঠামো নির্মাণ করেন না। তাই স্থায়ীভাবে দোকান বা বসতি গড়ে তোলা ব্যক্তিদের হকার হিসেবে আখ্যায়িত করা ঠিক নয়।

এছাড়া তাদের বক্তব্য, স্টেশন এলাকায় দীর্ঘদিনের অবৈধ দখল দেশের ভাবমূর্তির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বিশেষ করে বিদেশি পর্যটক ও বিনিয়োগকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশনগুলোর পরিবেশ দেশের সামগ্রিক ভাবমূর্তির একটি অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। পরিচ্ছন্ন, দখলমুক্ত ও সুশৃঙ্খল স্টেশন গড়ে উঠলে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে ইতিবাচক বার্তা যাবে বলেও তারা মনে করেন।

তবে মানবাধিকারকর্মী ও নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, সরকারি জমি উদ্ধার অবশ্যই আইনের আওতায় হওয়া উচিত, কিন্তু উচ্ছেদের ক্ষেত্রে যথাযথ নোটিশ, আইনি প্রক্রিয়া এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে পুনর্বাসনের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

উচ্ছেদ অভিযানের সমর্থকরা প্রশাসনের এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে ভবিষ্যতেও সরকারি ও রেলওয়ের জমি দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, সরকারি সম্পত্তি সুরক্ষা, যাত্রীসেবা নিশ্চিতকরণ এবং একটি পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ স্টেশন গড়ে তুলতে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।

দ্রষ্টব্য: প্রতিবেদনে উল্লিখিত দুর্ব্যবহার, বিদ্যুৎ চুরি, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও অন্যান্য অভিযোগ মূলত উচ্ছেদ অভিযানের সমর্থকদের দাবি। এসব অভিযোগের বিষয়ে আদালতের রায় বা স্বাধীনভাবে যাচাইকৃত প্রমাণ এখানে উপস্থাপিত হয়নি।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2026 MH News 24
Theme Customized By MH News 24