1. admin@mhnews24.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নওগাঁয় বায়ুদূষণ রোধে মোবাইল কোর্ট, দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা নওহাটা মোড়ে তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা কেশবপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত জনসেবা, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে আলোচনায় প্রভাষক গাজী ফারুকে আজম মেহেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘সম্প্রীতি অলিম্পিয়াড’ অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট অন্তর গফরগাঁও-মাওনা সড়ক ভূমি অধিগ্রহণে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে দালাল চক্র সিলেট বিভাগের চেলানদী রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তরের পদক্ষেপ, ৩৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা ইসলামের সুমহান আদর্শ সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে দাওয়াতি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে হবে। মুফতি সৈয়দ রিয়াজ আহমদ নরসিংদীর মাধবদীতে দুইটি হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, অর্থ দন্ড

পোরশার কাতকইল দাখিল মাদ্রাসায় সুপারের হাজিরা খাতার স্বাক্ষর ফ্লুইড দিয়ে মুছে ফেলার অভিযোগ।

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬
  • ১৪ বার পঠিত

মোঃ মমিন আলী, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:

নওগাঁর পোরশা উপজেলার মুর্শিদপুর ইউনিয়নের কাতকইল দাখিল মাদ্রাসায় সুপারিন্টেন্ডেন্টের হাজিরা খাতায় দেওয়া স্বাক্ষর ফ্লুইড দিয়ে মুছে ফেলার অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত (অ্যাডহক) কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সুপারিন্টেন্ডেন্ট আব্দুল বারী স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। তবে হাজিরা খাতায় ফ্লুইড ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত সভাপতি।

লিখিত অভিযোগে আব্দুল বারী উল্লেখ করেন, ২০২০ সালের ১১ জানুয়ারি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদন এবং আপিল অ্যান্ড আর্বিট্রেশন কমিটির সিদ্ধান্ত ছাড়াই তাকে বরখাস্ত করা হয়। পরে তিনি হাইকোর্টে রিট আবেদন করলে আদালত তার পক্ষে রায় দেন। আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালের ১০ মার্চ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড তাকে সুপারিন্টেন্ডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেয়।

তিনি আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে পুনরায় আইনি প্রক্রিয়া চললেও চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট আবারও তার পক্ষে রায় দেন। পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা আপিল খারিজ হলে হাইকোর্টের আদেশ বহাল থাকে। ওই আদেশের ভিত্তিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার লিখিত অনুমতি নিয়ে তিনি গত ৩০ এপ্রিল মাদ্রাসায় যোগদান করেন এবং ২৯ জুন পর্যন্ত নিয়মিত হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত ২৯ জুন মাদ্রাসা ছুটির পর ভারপ্রাপ্ত (অ্যাডহক) কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান হাজিরা খাতা নিজের হেফাজতে নিয়ে প্রায় দুই মাসের উপস্থিতির স্বাক্ষর ফ্লুইড দিয়ে মুছে ফেলেন। পরে নতুন একটি হাজিরা খাতা চালু করা হয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সভাপতি মিজানুর রহমান হাজিরা খাতায় ফ্লুইড ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে মামলা চলমান রয়েছে। হাজিরা খাতার স্বাক্ষর এভাবে মুছে দেওয়ার ক্ষমতা তার রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে আমার জানা নেই। জেনে জানাব।” পরে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি আর সাড়া দেননি।

সুপারিন্টেন্ডেন্ট আব্দুল বারীর দাবি, পূর্ববর্তী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্ররোচনায় বর্তমান সভাপতি বিধিবহির্ভূতভাবে হাজিরা খাতায় তার স্বাক্ষর মুছে দিয়েছেন। তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শামসুল আলম অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

ছবির ক্যাপশন:
অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত (অ্যাডহক) কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2026 MH News 24
Theme Customized By MH News 24