1. admin@mhnews24.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নওগাঁয় বায়ুদূষণ রোধে মোবাইল কোর্ট, দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা নওহাটা মোড়ে তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা কেশবপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত জনসেবা, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে আলোচনায় প্রভাষক গাজী ফারুকে আজম মেহেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘সম্প্রীতি অলিম্পিয়াড’ অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট অন্তর গফরগাঁও-মাওনা সড়ক ভূমি অধিগ্রহণে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে দালাল চক্র সিলেট বিভাগের চেলানদী রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তরের পদক্ষেপ, ৩৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা ইসলামের সুমহান আদর্শ সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে দাওয়াতি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে হবে। মুফতি সৈয়দ রিয়াজ আহমদ নরসিংদীর মাধবদীতে দুইটি হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, অর্থ দন্ড

ভালো কাজের জন্য নিয়ামতপুর থানার গ্রাম পুলিশ জনাব মনসুর আলীকে কে পুরস্কৃত করা হয়

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬
  • ১০ বার পঠিত

ডেক্স রিপোর্ট
চৌকিদারী প্যারেড ও গ্রাম পুলিশ ব্যবস্থার মূল ভিত্তি গড়ে ওঠে ব্রিটিশ আমলে। ১৮৭০ সালের গ্রাম চৌকিদারি আইন (The Village Chaukidari Act, 1870) ছিল ব্রিটিশ আমলে অবিভক্ত বাংলায় গ্রামীণ স্বায়ত্তশাসন এবং প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রথম আনুষ্ঠানিক আইনি পদক্ষেপ। ১৮৭০ সালের ১৯ অক্টোবর লর্ড মেয়োর শাসন আমলে এই আইনটি পাস হয়। বিশেষ দৃষ্টিকোণ থেকে, এই আইনটি পরবর্তীতে বাংলার গ্রামীণ পর্যায়ে আজকের ‘ইউনিয়ন পরিষদ’ এবং ‘গ্রাম পুলিশ’ ব্যবস্থার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিল।

পরবর্তীতে পুলিশ রেগুলেশন্স বেঙ্গল, ১৯৪৩ (PRB)-এর ৩৭০ থেকে ৩৭২ বিধি অনুযায়ী চৌকিদারদের থানায় এসে নিয়মিত হাজিরা দেওয়া এবং তথ্য সরবরাহ করা বাধ্যতামূলক করা হয়। এই বিধিমালা অনুযায়ীই মূলত আধুনিক ‘চৌকিদারী প্যারেড’ একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। পিআরবি (PRB) নিয়ম অনুযায়ী, চৌকিদাররা নিজ নিজ এলাকার খুন, ডাকাতি, চুরি, দাঙ্গা, বা অস্বাভাবিক মৃত্যুর মতো ১৭ প্রকার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এই প্যারেডে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) জানান।

চৌকিদারদের প্রধান কাজ ছিল গ্রামে রাতে পাহারা দেওয়া, অপরাধ প্রতিরোধ করা, সন্দেহভাজনদের ওপর নজর রাখা এবং স্থানীয় থানার পুলিশকে অপরাধের তথ্য দেওয়া। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মুখ্য প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ৷ সেই প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে গ্রাম পুলিশ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশকে বিভিন্নভাবে সহযোগী হিসেবে কাজ করছে।

জেলা পুলিশ এবং গ্রাম পুলিশের সম্পর্ক মূলত পারস্পরিক সহযোগিতা, তথ্যের আদান-প্রদান এবং গ্রামীণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে একটি পরিপূরক বন্ধন। গ্রাম পুলিশ সরাসরি জেলা পুলিশের অংশ না হলেও, তারা মাঠপর্যায়ে জেলা পুলিশের তথ্যের অন্যতম উৎস হিসেবে কাজ করে। এমনকি গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনেও কখনো কখনো গ্রামীণ পর্যায়ে গ্রাম পুলিশ সহযোগিতা করে থাকেন।

আমি নওগাঁ জেলায় যোগদান করার পর থেকে গ্রাম পুলিশকে তাদের কাজের স্বীকৃতি দেওয়ার প্রথা চালু করি।প্রতিমাসের ক্রাইম কনফারেন্সে গ্রাম পুলিশের একজনকে ভালো কাজের জন্য পুরস্কার প্রদান করা হয়। তারই অংশ হিসেবে গত মে /২০২৬ মাসে ভালো কাজের জন্য নিয়ামতপুর থানার গ্রাম পুলিশ জনাব মনসুর আলীকে কে পুরস্কৃত করা হয়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2026 MH News 24
Theme Customized By MH News 24