1. admin@mhnews24.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নওগাঁয় বায়ুদূষণ রোধে মোবাইল কোর্ট, দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা নওহাটা মোড়ে তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা কেশবপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত জনসেবা, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে আলোচনায় প্রভাষক গাজী ফারুকে আজম মেহেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘সম্প্রীতি অলিম্পিয়াড’ অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট অন্তর গফরগাঁও-মাওনা সড়ক ভূমি অধিগ্রহণে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে দালাল চক্র সিলেট বিভাগের চেলানদী রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তরের পদক্ষেপ, ৩৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা ইসলামের সুমহান আদর্শ সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে দাওয়াতি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে হবে। মুফতি সৈয়দ রিয়াজ আহমদ নরসিংদীর মাধবদীতে দুইটি হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, অর্থ দন্ড

চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন থেকে রক্ষার দাবিতে, মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
  • ১৩ বার পঠিত

হাবিবুর রহমান, চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের চিলমারতে “ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন থেকে উপজেলাকে রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ” অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৮ই জুলাই) সকাল ১১টার দিকে কুড়িগ্রাম জেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু সভাপতিত্বে “চিলমারী ইউনিয়নের বিশালপাড়া” এলাকায় সহস্রাধিক নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষেরা এ কর্মসূচিতে অংশ গ্রহন করেন। সমাবেশ থেকে দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোর পুনর্বাসন এবং চরাঞ্চলের মানুষের উন্নয়নের জন্য পৃথক (চর মন্ত্রণালয়) গঠনের দাবি জানান তারা। এ সময় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, আলহাজ্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা ও চিলমারী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল বারী সরকার, জেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ খাজা শরীফ উদ্দিন আহমেদ রিন্টু, চিলমারী উপজেলা শাখার সভাপতি সহকারী অধ্যাপক আবু হানিফা, সদস্য সচিব সহকারী অধ্যাপক ফজলুল হক, সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাব কুড়িগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক ওয়াজেদ আলী ঝিনুক, চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম কাজী, মহিলা নেত্রী শাহনাজ সুলতানা এবং নদী ভাঙনের শিকার আছির উদ্দিন ও শাহজাহান আলীসহ স্থানীয় আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ব্রহ্মপুত্রের ভয়াবহ ভাঙনে প্রতি বছর চিলমারী উপজেলার বিস্তীর্ণ জনপদ নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। বসতভিটা, ফসলি জমি, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন স্থাপনা হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়ছেন হাজার হাজার মানুষ। স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ ও ভাঙনরোধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান তাঁরা। এ সময় অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু বলেন, কুড়িগ্রাম জেলার ১৬টি নদ-নদীর অন্তত ৪২টি স্থানে বর্তমানে নদী ভাঙন চলছে। গত ১০বছরে প্রায় দুই লাখ মানুষ তাদের বসতভিটা হারিয়ে নতুন ঠিকানায় আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। অথচ নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঠিক পরিসংখ্যান কোন সরকারি দপ্তরের কাছে নেই।
তিনি বলেন, বন্যা ও নদী ভাঙনের শিকার হয়ে শুধু মানুষ জমি-জমা হারাচ্ছেন না, হারাচ্ছেন তাঁদের শৈশব, স্মৃতি ও সামাজিক বন্ধনও। অনেক পরিবার এখনো জানে না, বন্যার সময় তারা কোথায় আশ্রয় নেবে কিংবা গবাদিপশু ও শিশু সন্তানদের কোথায় নিরাপদে রাখবেন তারা। তিনি আরও বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ—বিশেষ করে নেদারল্যান্ডস, কানাডা, ইংল্যান্ড ও কলম্বিয়ায় নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের দ্রুত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা রয়েছেন। কিন্তু বাংলাদেশে এখনো সে ধরনের কোনো কার্যকরী ব্যবস্থা গড়ে উঠেনি।
তিনি দাবি করেন, শুধু কুড়িগ্রাম নয়, দেশের ৩২টি জেলার প্রায় ১০০টি উপজেলার দুই কোটিরও বেশি মানুষ নদী ভাঙন ও চরাঞ্চলের নানা সংকটের মধ্যে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আদলে একটি পৃথক চরবিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করা প্রয়োজন বলে মনে করেন।
সমাবেশ থেকে বক্তারা নদী ভাঙন প্রতিরোধে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোর জন্য ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং চরাঞ্চলের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান। তাঁরা আরও বলেন, চরের মানুষে জীবন-মানের উন্নয়ন ছাড়া দেশের সার্বিক উন্নয়ন কখনোই টেকসই হবে না বলে জানান তারা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2026 MH News 24
Theme Customized By MH News 24