1. admin@mhnews24.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নওগাঁয় বায়ুদূষণ রোধে মোবাইল কোর্ট, দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা নওহাটা মোড়ে তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা কেশবপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত জনসেবা, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে আলোচনায় প্রভাষক গাজী ফারুকে আজম মেহেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘সম্প্রীতি অলিম্পিয়াড’ অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট অন্তর গফরগাঁও-মাওনা সড়ক ভূমি অধিগ্রহণে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে দালাল চক্র সিলেট বিভাগের চেলানদী রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তরের পদক্ষেপ, ৩৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা ইসলামের সুমহান আদর্শ সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে দাওয়াতি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে হবে। মুফতি সৈয়দ রিয়াজ আহমদ নরসিংদীর মাধবদীতে দুইটি হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, অর্থ দন্ড

কৃষিজমি রক্ষায় তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ, সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক এসিল্যান্ড মাহির দায়ান আমিন

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬
  • ৬১ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক(মণিরামপুর) যশোরঃ

যশোরের মনিরামপুর উপজেলা ১৩ নম্বর খানপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত শালিখার বিলে কৃষিজমি নষ্ট করে সরকারি নীতিমালা অমান্যনকরে মৎস্য ঘের নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে বিস্তীর্ণ ফসলি জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ধান চাষাবাদ ব্যাহত হবে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কৃষক ও এলাকাবাসী। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চরম উদ্বেগ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,শালিখার বিল এলাকায় রাস্তার পূর্ব পাশে ০২টি পুরাতন ঘের এবং পশ্চিম পাশে আরও ০২টি নতুন ঘের খনন করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে,পানি নিষ্কাশনের জন্য নামমাত্র একটি ক্যানেল রাখা হলেও ক্যানেলের মুখ সংকুচিত ও উঁচু করে বাঁধ দেওয়ায় পানি স্বাভাবিকভাবে নিষ্কাশিত হতে পারছে না। ফলে আশেপাশের কৃষিজমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ধান চাষ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

কৃষকদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই বিলে ধান চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। কিন্তু জলাবদ্ধতার কারণে অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে নিজেদের জমি মাছের ঘেরের জন্য লিজ দিতে বাধ্য হয়েছেন,এলাকাবাসীর অভিযোগ ঘের ব্যবসায়ী এম. এ. হালিম বিভিন্ন কৃষকের সরলতার সুযোগ নিয়ে প্রতারণামূলক ভাবে ঘের দখলের চেষ্টা করছেন।

স্থানীয়রা জানান, ২০২২ সালের ২৫ মার্চ থেকে ২০২৭ সালের ২৪ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ বছরের জন্য কিছু কৃষিজমি আপোষ ও চুক্তিনামার ভিত্তিতে লিজ দেওয়া হয়েছিল। চুক্তিতে উল্লেখ ছিল, জমির মালিক ছাড়া অন্য কেউ ঘেরের মালিক হতে পারবে না এবং ভবিষ্যতে স্থায়ী পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা হলে ঘের বিলুপ্ত করে পুনরায় ধান চাষাবাদ করা হবে।

তবে অভিযোগ উঠেছে,পরবর্তীতে জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর গ্রহণ করে নতুন শর্ত সংযোজন করা হয়েছে, যেখানে মাছ চাষের সুবিধার্থে কৃষিজমিতে প্রয়োজনীয় গর্ত করার অনুমতি রাখা হয়েছে,এলাকাবাসীর দাবি এ ধরনের শর্ত কৃষিজমি সংরক্ষণ সংক্রান্ত সরকারি নীতিমালার পরিপন্থী।

এছাড়া নতুন ঘের নির্মিত হলে বসতবাড়ি ও পার্শ্ববর্তী কৃষিজমিতে আরও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা তাদের মতে, এ অবস্থার অব্যাহত থাকলে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে।

ইতোমধ্যে গোপালপুর,বাগডাঙ্গা এবং পাড়িয়ালি গ্রামের কয়েকজন জমির মালিকও একইভাবে প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে দাবি উঠেছে।যাহা বিভিন্ন পত্র পত্রিকাতে প্রকাশিত হয়েছিলো।

এ বিষয়ে এলাকাবাসী ও জমির মালিকরা উপজেলা প্রশাসনের কাছে জরুরি ভিত্তিতে সরেজমিন তদন্ত, অবৈধ ঘের নির্মাণ বন্ধ এবং কৃষিজমি রক্ষায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যে দাবি জানিয়েছেন।বিষয়টি জানতে পেরে সহকারি কমিশনার ভূমি মাহির দায়ান আমিন তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিয়ে কৃষি জমিতে মাছের ঘের খনন বন্ধ করে স্থানীয় কৃষকদের নিকট প্রশংসায় ভাসছেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2026 MH News 24
Theme Customized By MH News 24