
পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি চট্টগ্রামের পটিয়ায় স্থানীয় বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষিজমি ও পুকুরের মাটি অবাধে কাটার বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু ভয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক। স্থানীয়দের দাবি, পুরো উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সক্রিয় শক্তিশালী মাটি বাণিজ্যের মাটিখেকো সিন্ডিকেটরা রয়েছে। কিন্তু প্রশাসনের অনুমোদনের আড়ালে চলছে ফসলি জমি ধ্বংসের হিড়িক। সেই মাটি ব্যবহার করছেন অন্যত্র জমি ভরাটের কাজে। পটিয়া উপজেলার ছনহরা ইউনিয়নের মটপাড়া এলাকায়। সেখানে মৎস্য প্রজেক্টের নামে কৃষিজমির মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসভাপতি বিরুদ্ধে । বিশাল এক্সকাভেটর দিয়ে ফসলি জমির উপরিভাগ কেটে গভীর
পুকুরে পরিণত করেছে মাটি ব্যাবসায়ীরা প্রতিদিন ৮/ ১০ টি ট্রাকে করে অন্যত্র নিয়ে কৃষিজমি ভরাট করা হচ্ছে। পুরোকার্যক্রম চলছে প্রকাশ্যে দিবালোকে। স্থানীয় অনেকের অভিযোগ করে বলেন, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, আগে রাতের আঁধারে চুরি করে মাটি কাটা হতো,এখন প্রকাশ্যে হচ্ছে।
পটিয়ার এমপি আলহাজ্ব এনামুল হক এর কড়া বিধিনিষেধ রয়েছে। এরপরেও কৃষি জমি মাটি কাটা বন্ধ করা যাচ্ছে না।
প্রশাসনের অনুমতির শর্ত লঙ্গন করে মাটি ব্যাবসায়ীরা। বর্তমান সরকার কৃষি জমি সুরক্ষা কঠোর পদক্ষেপ নিলেও রহস্যজনক কারণে স্থানীয় পর্যায়ে বাস্তবায়ন হচ্ছে না। মাটি বহনকারী ভারী ট্রাক চলাচলের কারণে এলাকার গ্রামীন সড়কগুলো কাদামাটিতে ভয়াবহ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোথাও রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষার্থী,পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্ষা মৌসুমের আগে সড়কের এমন বেহাল অবস্থায় ক্ষোভ বাড়ছে জনমনে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পুরো পটিয়া উপজেলায় কম, বেশ মাটি কেটে বিক্রি হচ্ছে, এভাবে চলতে থাকলে কৃষি জমির পরিমাণ কমে আসবে। ফলে খাদ্য সংকট দেখা দেবে,
কৃষি জমি মাটি কাটা বন্ধ করা জরুরি
মনে করেন সংশ্লিষ্ট কৃষিবিধগণ।
From
Salim Chowdory
Patiya Corresponden
Chittagong
01819349442