1. admin@mhnews24.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নওগাঁয় বায়ুদূষণ রোধে মোবাইল কোর্ট, দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা নওহাটা মোড়ে তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা কেশবপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত জনসেবা, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে আলোচনায় প্রভাষক গাজী ফারুকে আজম মেহেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘সম্প্রীতি অলিম্পিয়াড’ অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট অন্তর গফরগাঁও-মাওনা সড়ক ভূমি অধিগ্রহণে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে দালাল চক্র সিলেট বিভাগের চেলানদী রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তরের পদক্ষেপ, ৩৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা ইসলামের সুমহান আদর্শ সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে দাওয়াতি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে হবে। মুফতি সৈয়দ রিয়াজ আহমদ নরসিংদীর মাধবদীতে দুইটি হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, অর্থ দন্ড

গোপালগঞ্জে প্রেমিককে ডেকে এনে আটকে রাখার অভিযোগ, উদ্ধার করল পুলিশ

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬
  • ৫৮ বার পঠিত

মোঃ শিহাব উদ্দিন
গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় এক গৃহবধূর ডাকে তাঁর প্রেমিক বাড়িতে এলে তাঁকে ও তাঁর দুই সঙ্গীকে মারধর করে একটি মাদ্রাসার কক্ষে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
আজ শুক্রবার সকালে উপজেলার মাঝিগাতী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার পালেরচর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে তরিকুল ইসলামের সঙ্গে বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলার বাসিন্দা এবং বর্তমানে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মাঝিগাতী গ্রামের বাসিন্দা ফাতেমা বেগমের দীর্ঘদিনের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ঈদের দিন সকালে ফাতেমা বেগম ফোন করে তরিকুল ইসলামকে তাঁর স্বামীর বাড়ি থেকে নিয়ে যেতে বলেন। পরে সকাল সাতটার দিকে তরিকুল ইসলাম তাঁর বন্ধু শাহীন শেখ ও অপু কুণ্ডুকে সঙ্গে নিয়ে মাঝিগাতী এলাকায় ফাতেমার বাড়িতে যান।
এ সময় ফাতেমার স্বামী রশীদ ইব্রাহিম ও তাঁর সহযোগীরা তাঁদের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেন এবং ভবানীপুর মাদ্রাসার একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে আটকে রাখেন বলে অভিযোগ করা হয়।
ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায়। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে মাদ্রাসার তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে তাঁদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ সদর থানায় নিয়ে আসে।
তরিকুল ইসলাম দাবি করেন, “ফাতেমার সঙ্গে আমার চার বছরের সম্পর্ক। আজ সকালে তিনি আমাকে ফোন করে আসতে বলেন। পরে আমি বন্ধুদের নিয়ে তাঁকে নিতে গেলে আমাদের মারধর করে মাদ্রাসায় আটকে রাখা হয়।”
ফাতেমা বেগমও বলেন, “আমি তরিকুলকে আসতে বলেছিলাম। পরে আমার স্বামী ও তাঁর লোকজন তাঁদের মারধর করে মাদ্রাসায় আটকে রাখে।”
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) নয়ন চন্দ্র দেবনাথ বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটকে রাখা ব্যক্তিদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।”
পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2026 MH News 24
Theme Customized By MH News 24