1. admin@mhnews24.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নওগাঁ সদরে ভাগিদারদের সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগ পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহারের দাবি নওগাঁ জেলার পোরশা থেকে হারিয়ে যাওয়া শিশু ১ মাস ৬ দিন পর উদ্ধার, অভিভাবকদের প্রতি সচেতনতামূলক বার্তা দিল পোরশা থানার পুলিশ। পৈত্রিক সম্পত্তি রক্ষায় দীর্ঘ ১৩ বছরের আইনি লড়াই: মুমূর্ষু বৃদ্ধ সোনাফর ফকিরের বুকভরা আশা, মৃত্যুর আগেই চান ন্যায়বিচার জান্নাতের নেয়ামত ও তার বর্ণনা! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী প্রেস ক্লাব এবং রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান করছেন ছোট ভাই জিহাদী। ৮০ ঘণ্টা পার, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক নীরবতায় ক্ষোভ পিবিআই গোপালগঞ্জ কার্যালয় পরিদর্শন, চাঞ্চল্যকর মামলার ঘটনাস্থলেও গেলেন পুলিশ সুপার জনগণের সমস্যা সরেজমিনে পরিদর্শন ও সমাধানে উদ্যোগী মাননীয় সংসদ সদস্য গোলাম রসুল শহীদদের স্মরণে,– অমর একুশে জুলাই পালিত হলো নাচোলে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত দুই মাসের সন্তানকে কোলে নিয়ে স্বামী আলিনুর হত্যার বিচার চাইলেন স্ত্রী

শিক্ষার আলো নাকি মৃত্যুর ভয়?গোদাগাড়ীর শতবর্ষী কুঠিপাড়া বিদ্যালয়ে মাথার ওপর মরা গাছ, ফুটো টিনের চালে বৃষ্টির পানি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে পাঠদান।

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৭ বার পঠিত

[​মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি​​​|
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী কুঠিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি এখন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। ১০৭ বছরের পুরনো এই বিদ্যাপীঠের বর্তমান ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারহীন ও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকলেও তা মেরামতে নেওয়া হয়নি কোনো কার্যকর পদক্ষেপ। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি! ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে পাঠদান।
জরাজীর্ণ ভবনে ধুঁকছে কুঠিপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়।

​সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের ওপরের টিনের ছাউনি মরচে ধরে বড় বড় ছিদ্রে পরিণত হয়েছে। দিনের আলো সেই ছিদ্র দিয়ে শ্রেণিকক্ষে সরাসরি প্রবেশ করছে। এর ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো ক্লাসরুম প্লাবিত হয়, যা পাঠদানকে অসম্ভব করে তোলে।

​সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো দৃশ্য হলো একটি বিশাল গাছ ভবনের ওপর আছড়ে পড়ে আছে এবং গাছের মোটা কাণ্ড ও ডালপালা সরাসরি টিনের চালের ওপর চেপে বসে আছে। এতে ভবনের কাঠামোটি যেকোনো মুহূর্তে ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে। দেয়ালগুলোর পলেস্তারা এমনভাবে খসে পড়ছে যে ভেতরের ইটের গাঁথুনিও নড়বড়ে হয়ে গেছে।

​ঝুঁকির মুখে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের কোমলমতি ছাত্র ছাত্রীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা প্রতিদিন এক চরম অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে ক্লাস করে। তারা বলে, আমরা যখন ক্লাসে বসি, তখন সবসময় ওপরের দিকে তাকিয়ে থাকি। বৃষ্টির পানি পড়লে বইখাতা বাঁচাতে দৌড়াদৌড়ি করতে হয়। তার ওপর দেয়ালের প্লাস্টার খসে আমাদের গায়ে পড়ে। ওপরের ওই মরা গাছটা কখন আমাদের মাথায় ভেঙে পড়ে, সেই ভয়ে আমরা ঠিকমতো পড়াশোনায় মন দিতে পারি না।

​অভিভাবকরা অভিযোগ করেছেন যে, দীর্ঘ সময় ধরে ভবনটির এই বেহাল দশা চললেও মেরামতের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ২০০৫ সালে নির্মিত ভবনটি মাত্র ২০ বছরেই ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় এর নির্মাণকাজের মান নিয়েও অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন। তারা বলছেন, দ্রুত এই ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে নতুন ভবন নির্মাণ না করলে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে।

​স্থানীয়দের দাবি দীর্ঘদিন ধরে ভবনটি পরিত্যক্ত বা ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার দাবি উঠলেও কেন এর কোনো সুরাহা হচ্ছে না, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও এলাকাবাসী। তাদের মতে, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং কোমলমতি শিশুদের জীবন রক্ষায় অতি দ্রুত এই ভবনটি ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণ করা প্রয়োজন।

​শতবর্ষী এই বিদ্যাপীঠের ঐতিহ্য রক্ষা এবং শত শত শিক্ষার্থীর জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় শিক্ষা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2026 MH News 24
Theme Customized By MH News 24