
রাজু ভূঁইয়া,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি::
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সুখাইর রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নে টাকা নিয়ে হত্যার হুমকি থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। শুক্রবার (২৯ মে) বিকেলে ধর্মপাশা থানায় অভিযোগ দাখিল করেন ইউনিয়নের ইসকান্দর মিয়া। অভিযোগ থেকে জানাযায়, আসামীগন অত্যন্ত উগ্র, দাঙ্গাবাজ, পরধন লোভী ও ঝগড়াটে প্রকৃতির লোক। অত্র ধর্মপাশা থানাধীন সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের অন্তর্গত বাবুপুর গ্রামস্থ ইউনিয়ন কমপ্লেক্সের সামনে সরকারী জায়গায় আসামী মীর কাশেম অন্যায় ভাবে দখল করার উদ্দেশ্যে হাফ বেল্ডিং ঘর নির্মাণ করিতেছে। উক্ত বিষয়ে গ্রামের লোক জন, ভার প্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোহেল মিয়া সহ আমরা সার্ভেয়ার দ্বারা সরজমিনে পরিমাপ করে ঘর নির্মান করার কথা বলিলে আসামী মীর কাশেম আমাদের কাথায় কোন কর্ণপাত না করিয়া আমাদের প্রতি আক্রোশান্নীত হয়।
ঘটনার তারিখ ও সময়ে উক্ত আক্রোশে আসামীগন মিলিত হইয়া দা, লাটি, লোহার রড, ইত্যাদি অস্ত্রাদি নিয়া বে-আইনি জনতায় দলবদ্ধে একই উদ্দেশ্যে সাক্ষী রানা মিয়ার দোকানে অনধীকার প্রবেশ করিয়া আমাকে পাইয়া আক্রমন করে। ৩নং আসামী মীর কাশেম এর হুকুমে ১নং আসামী জাহিদ হাসান তার হাতে থাকা লোহার রড দিয়া আমাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে মাথা লক্ষ করিয়া বারি মারিলে আমি বাম হাত ধারা ফিরাইলে উক্ত বারি আমার বাম হাতের কব্জির নিচে পরিয়া গুরুত্বর হার ভাঙ্গা জখম হয়। সাঙ্গে সঙ্গে ২নং আসামী হাবিবুল্লাহ তার হাতে থাকা লোহার রড দিয়া আমার বাম হাতে আরও একটি বারি মারিয়া ফুলা জখম করে। ৪নং আসামী নূর হোসেন তার হাতে থাকা লাটি দিয়া আমার পিটের বাম পার্শে সজোরে বারি মারিয়া ফুলা জখম করে। ৫নং আসামী কাঞ্চন মিয়া ৬নং আসামী সোজা মিয়া তাদের হাতে থাকা লাটি ও লোহার রড দিয়া আমার হাতে পায়ে বুকে পিটে উপুর্যপরি বাইরাইয়া ফুলা জখম করে। ৭নং আসামী রেজা মিয়া ৮নং আসামী আঞ্চল হক ও ৯নং আসামী ইসমাইল আমার সর্ব শরীরে এলোপাথারি আঘাত করিয়া ফুলা জখম করে। ডাক চিৎকার শুনিয়া অন্যান্য সাক্ষীগন আশ পাশের লোকজন আগাইয়া আসিতে দেখিয়া আসামী জাহিদ হাসান আমার পরিধানের ট্রাউজারে ডান পকেটে রক্ষিত নগদ ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা নিয়া সকল আসামীগন হত্যার হুমকি দিয়া চলিয়া যায়। আসামীগনের মার পিটের ফলে আমি পল্লী চিকিৎসক ধারা চিকিৎসা করাই। অদ্য ২৯/০৫/২০২৬ইং তারিখ আমার শারীরিক অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় আমার আত্মীয় স্বজন ট্রলার ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়া আসিলে কর্তব্যরত ডাক্তার প্রাথমিক চিকিৎসা করেন। ডাক্তারের পরামর্শে আমার একটি এক্স-রে করানো হয়। বিষয়টি এলাকার গন্য মান্য মাতাব্বরগন মিমাংসার উদ্দোগ নিয়া ব্যর্থ হওয়ায় বিলম্বে এই অভিযোগ দায়ের করিলাম।
অতএব প্রার্থনা এই যে, আসামীগনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করিতে মহোদয়ের সদয় মর্জি হয়। এব্যাপারে ধর্মপাশা থানার সাব ইনিসপেক্টর মনিরুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে।