1. admin@mhnews24.com : admin :
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দোয়ারাবাজার উপজেলা পান্ডারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মাঠে এগিয়ে আছেন , হাজি আরশ আলী কেশবপুরে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা উপপরিচালক (প্রশাসন), কেশবপুরের কৃতি সন্তান মোঃ রেজাউল করিম আর নেই কেশবপুরে সাংবাদিক রাজিব চৌধুরীর স্ত্রী সুচিত্রা মালাকর এর পরলোকগমন রংপুরে রাজনৈতিক পরিচয়ে লুটপাট, সম্পদ দখল করতেই রতনকে হত্যা: কর্নেল বাতেন ​আ.লীগ নেতার ভবনে এনসিপির জেলা কার্যালয়, উদ্বোধনে এমপি মিতু ও হাদির বোন চাটমোহরে অবৈধভাবে মজুত ১১৪ বস্তা সার জব্দ কৃষকদের কাছে সরকারি দামে বিক্রি পাবনায় অস্ত্রসহ চারজন গ্রেপ্তার পুলিশের দাবি, তারা অস্ত্র ব্যবসায়ী শ্যামনগরে ভাটার দাদনে টাকা নিয়েছে ছেলে, ছেলেকে না পেয়ে মাকে উঠিয়ে নিয়ে গেল ভাটার সর্দার ছাতক উপজেলার ১০ নং দোলার বাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মাঠে আলোচনা জনাব ফয়জুর রহমান

রংপুরে রাজনৈতিক পরিচয়ে লুটপাট, সম্পদ দখল করতেই রতনকে হত্যা: কর্নেল বাতেন

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৫ বার পঠিত

পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি:

রংপুরের পীরগাছার সন্তান ও ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আব্দুল বাতেন বলেছেন, নিহত ফখরুল আলম রতন অত্যন্ত সদালাপী, ভালো ও নিরীহ প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। তাঁর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় ছিল না। রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত স্বার্থ হাসিল, লুটপাট ও সম্পদ দখলের উদ্দেশ্যে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের হরিচরণ লস্কর (কুঠিরপাড়) গ্রামে নিহত ফখরুল আলম রতনের বাড়ি পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
কর্নেল আব্দুল বাতেন বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে কিছু সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে প্রতিপক্ষের ওপর জুলুম-নির্যাতন চালিয়েছেন। কোনো পরিবার একটি রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করতে পারে কিংবা ভোট দিতে পারে, এটি তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। এ কারণে কাউকে নির্যাতন বা হত্যা করার কোনো যুক্তি নেই।
তিনি বলেন, নিহত ফখরুল আলম রতন তাঁর ছোট ভাইয়ের শ্যালক। এ ছাড়া পীরগাছায় তাঁর নিজস্ব মাদ্রাসায় রতন অফিস সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আত্মীয়তার সম্পর্কের বাইরেও তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার সুযোগ হয়েছে।
কর্নেল বাতেন অভিযোগ করেন, গত দুই বছরে শুধু এই পরিবার নয়, তাঁর জানা মতে, আরও প্রায় ২০টি পরিবার লুটপাট, জুলুম-নির্যাতন ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের শিকার হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে এসব পরিবারের কাছ থেকে টাকা নেওয়া এবং কাউকে কাউকে এলাকায় বসবাসের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা বর্তমানে ক্ষমতাসীন দলের নাম ব্যবহার করছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, “আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির স্থানীয়, উপজেলা ও জেলা নেতৃবৃন্দের প্রতি অনুরোধ জানাব, অপরাধীদের কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেবেন না। যারা দলের নাম ব্যবহার করে অপরাধ করছে, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। দল থেকে বহিষ্কার করে আইনের আওতায় আনতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে হবে।”
হত্যাকাণ্ডের পেছনে রাজনৈতিক বিরোধের চেয়ে ব্যক্তিগত, পারিবারিক কিংবা এলাকাভিত্তিক বিরোধ থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেন আব্দুল বাতেন। তিনি বলেন, দুই পাড়া বা দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ থাকতেই পারে। কিন্তু সেই বিরোধের জেরে কাউকে হত্যা করার কোনো আইনগত বা যুক্তিসংগত ভিত্তি নেই।
কাউকে অপরাধী মনে হলে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে সোপর্দ করে বিচারের মুখোমুখি করা উচিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি অপরাধে জড়িত থাকলেও তার দায়ে পরিবারের অন্য সদস্যকে হত্যা করা যায় না। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
উল্লেখ্য, গত ১৯ অক্টোবর কাউনিয়া উপজেলার কুঠিরপাড় এলাকায় নিজ গ্রামের বাড়ির সামনে ফখরুল আলম রতনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডে কুর্শা ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মজনু মিয়ার নেতৃত্বে ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য হায়দার আলীসহ লুৎফর, রিজু, রিপন, মতিয়ার, মেহের, বাটুল ও খলিলুর অংশ নেন।
স্বজনদের অভিযোগ, এ ঘটনায় খলিলুর পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলেও বাকি আসামিরা বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
কর্নেল আব্দুল বাতেন হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2026 MH News 24
Theme Customized By MH News 24