
মোঃরফিকুল ইসলাম সোহাগ
সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জ-কাছিরগাতি-বিশ্বম্ভরপুর সড়কে প্রায় ৮৭ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজে ব্যাপক অনিয়ম, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও ধীরগতির অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে স্থানীয় এলাকাবাসীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
বুধবার সকালে সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রেস ব্রিফিং করেছেন সুনামগঞ্জ -৪ ( সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) আসনের স্থানীয় সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুল। এ সময় কাজের গাফিলতি ও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা চাঁদা দাবির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন,সড়ক ও জনপদ উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ সাজিদুর রহমান,জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মোঃ আকবর আলী,মোঃ রেজাউল হক,বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ হারুন,বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা বিএনপি নেতা মোঃ আব্দুল হাই,জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মমিনুল হক কালারচাঁন,সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল হাসান রাজু ও জেলা ছাত্রদল নেতা নাঈম আহমদ শিশির প্রমুখ।
জানা গেছে, ২০২২ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সুনামগঞ্জ-হবিগঞ্জ সড়ক বিভাগের বিভিন্ন সড়ক ও কালভার্ট জরুরি পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় লালপুর-সালামপুর ব্রিজ এবং প্রায় ৫ কিলোমিটার সড়কের সংস্কার ও গার্ডওয়াল নির্মাণে ৮৬ কোটি ৬০ লাখ টাকার কাজ চলছে। কাজটি পেয়েছিলেন ঢাকার গোপালগঞ্জের ঠিকাদার মোঃ বদরুল ইকবাল লিঃ । তবে আওয়ামী লীগ আমলের প্রভাবে শুরুতে এর সাব-ঠিকাদার করা হয় বালিজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আজাদ হোসেনকে।
এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম জানান, ৮৭ কোটি ৬০ লাখ টাকার এই প্রকল্পের প্রায় অর্ধেক কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং ৩৭ কোটি ২৩ লাখ ৮০ হাজার টাকার বিল পরিশোধ করা হয়েছে। গার্ডওয়াল হেলে পড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, “এটি চলমান কাজ, বিষয়টি আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো এবং ঠিকাদারকে ভালো কাজের জন্য বারবার সতর্ক করা হয়েছে।” তবে ব্যক্তিগত বা স্থানীয় পাওনা-দেনার বিষয়ে বিভাগ অবগত নয় বলে জানান তিনি।