1. admin@mhnews24.com : admin :
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নরসিংদীর মাধবদীতে দুইটি হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, অর্থ দন্ড আড়াইহাজার উপজেলা জামায়াতের হাইজাদী ইউনিয়নে ওয়ার্ড কর্মী-সম্মেলন অনুষ্ঠিত সিংড়ায় জামতলী-বামিহাল রাস্তা প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি আনু মদন পৌর সদরে কৃষকদের মাঝে ধানের বীজ বিতরণ করলেন মেয়র পদপ্রার্থী এনামুল হক কেন্দুয়ায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে হালট উদ্ধার অভিযান, বিরোধী পক্ষের লোক জন নিয়ে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ নরসিংদীতে মহাসড়কে ডিম ভেঙ্গে পোলট্রি খামারিদের প্রতিবাদ ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে দলিলকৃত জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাড়িতে আগুন ঘর বাড়ি ভাংচুর আদমদীঘিতে ধর্ষণ চেষ্টা মামলার আসামী ওসমান গ্রেপ্তার দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গঠনের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাংবাদিক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান শামীম তালুকদার (এম.এ) জনপ্রিয়তার শীর্ষে গলাচিপায় যৌথ অভিযানে ৩০টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ, আগুনে ধ্বংস

ইতালি পাঠানোর নামে লিবিয়ায় জিম্মি ও ২২ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ সুনামগঞ্জে মানব পাচার ট্রাইব্যুনালে মামলা

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩১ বার পঠিত

মোঃরফিকুল ইসলাম সোহাগ
সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে ২২ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ এবং লিবিয়ায় জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে মানব পাচার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী এমরান হোসেন আদিলের স্ত্রী মোছা সজুনা আক্তার খাদিজা বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় মোছা শোবি বেগম, মনফর আলী, শামছুল ও মেসকার মিয়াসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায় যে আসামিরা ভুক্তভোগী এমরান হোসেন আদিলকে উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে এবং স্থায়ী বসবাসের ভিসা দিয়ে ইতালি পাঠানোর কথা বলে ২২ লক্ষ টাকা চুক্তিতে রাজি করান। চুক্তি অনুযায়ী প্রথমে ৩ লক্ষ টাকা ও পাসপোর্ট গ্রহণ করা হয়। পরবর্তী সময়ে আদিলকে প্রথমে চেন্নাই এবং পরে শ্রীলঙ্কা হয়ে লিবিয়ায় পাঠানো হয়। লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর আসামিরা তাদের নিজস্ব লোকবল দিয়ে আদিলকে প্রায় দেড় মাস জিম্মি করে রাখে।

অভিযোগে আরও বলা হয় যে আসামিরা আদিলকে ইতালি পাঠানোর নাম করে বাদীর কাছ থেকে আরও ১৯ লক্ষ টাকা দাবি করে। নিরুপায় হয়ে বাদী মোছা সজুনা আক্তার খাদিজা আত্মীয় স্বজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে এবং স্বামীর জমানো টাকা থেকে আসামিদের কয়েক দফায় টাকা প্রদান করেন। এর মধ্যে ৫ লক্ষ টাকা ব্যাংকের চেকের মাধ্যমে এবং ১৪ লক্ষ টাকা নগদ প্রদান করা হয়। টাকা পাওয়ার পর ১ নং আসামি মোছা শোবি বেগম স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দিলেও আদিলকে ইতালি না পাঠিয়ে লিবিয়াতেই আটকে রাখা হয়।

পরবর্তীতে আসামিরা মোবাইল ফোনে জানায় যে এমরান হোসেন আদিল মাফিয়া চক্রের হাতে ধরা পড়েছে এবং তাকে বাঁচাতে হলে আরও ৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দিতে হবে। মুক্তিপণের টাকা না দিলে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয় এবং তাকে মারধর করার ভিডিও বাদীর কাছে পাঠানো হয়। স্বামীর প্রাণ বাঁচাতে বাদী আবারও ৫ লক্ষ টাকা আসামিদের হাতে তুলে দেন। সব মিলিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পরও ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

বাদীর নিযুক্ত উকিল এডভোকেট রমজান আলী জানান মামলাটি জগন্নাথপুর থানায় এফআইআর হিসেবে গণ্য করে নিয়মিত মামলা রুজু করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেছেন মাননীয় আদালত। দীর্ঘ প্রচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে ভুক্তভোগীর স্ত্রী ন্যায়বিচারের আশায় এই মামলা দায়ের করেছেন। বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং ভুক্তভোগীর পরিবার আদিলকে সুস্থ অবস্থায় ফিরে পেতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

###

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2026 MH News 24
Theme Customized By MH News 24