
নিজস্ব প্রতিনিধি, মণিরামপুর (যশোর):
যশোরের মণিরামপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহির দায়ান আমিনের আন্তরিক ও যুগোপযোগী পদক্ষেপে বদলে গেছে এই উপজেলার ভূমি সেবার সামগ্রিক চিত্র,দীর্ঘদিনের জটিলতা কাটিয়ে জমির রেকর্ড হালনাগাদ, ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) আদায়, খাস জমি ব্যবস্থাপনা এবং নামজারি কার্যক্রমে এসেছে গতিশীলতা। একই সাথে তিনি যশোর সদরের অতিরিক্ত দায়িত্বও অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পালন করে চলেছেন।
দ্রুত শুনানিতে মিলছে সমাধান: জনসেবার এই গতিশীল ধারা বজায় রাখতে তিনি নিয়মিত শুনানির আয়োজন করে যাচ্ছেন। এর ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার একদিনেই তিনি ভূমি সংক্রান্ত ২২টি মামলার শুনানি সফলভাবে সম্পন্ন করেন, যা স্থানীয় সেবাগ্রহীতাদের মাঝে ব্যাপক স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। হয়রানিমুক্ত ও স্বচ্ছ সেবা: ভোগান্তি নিয়ে সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল দীর্ঘদিনের। তবে বর্তমান প্রশাসনের স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি ও সরকারি ফি-তে সঠিক সময়ে সেবা পাওয়ায় প্রকৃত ভূমিমালিকরা তাদের আইনি অধিকার ফিরে পাচ্ছেন।
তৃণমূল পর্যায়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোতেও কঠোর নজরদারি ও প্রশাসনিক তদারকি বজায় থাকায় সাধারণ মানুষ এখন দালালদের হয়রানি ছাড়াই সেবা পাচ্ছে। মণিরামপুরের সচেতন মহল মনে করছেন,তাঁর এই কর্মতৎপরতা ভূমি ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেছে।
জনস্বার্থে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা: শুধু দাপ্তরিক কাজ নয়, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায়ও অনন্য ভূমিকা রাখছেন এই কর্মকর্তা,পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট ও প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে অনিয়মের দায়ে জরিমানা এবং ব্যবসায়ীদের সতর্ক করছেন তিনি। ফলে সাধারণ ভোক্তারা এখন তুলনামূলক স্বাস্থ্যসম্মত খাবার ক্রয়ের সুযোগ পাচ্ছেন। সার্বিক কার্যক্রমে সততা, নিষ্ঠা ও গতিশীলতা বজায় রাখায় মণিরামপুরজুড়ে এখন প্রশংসায় মুখরিত সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহির দায়ান আমিনের নাম।