1. admin@mhnews24.com : admin :
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নরসিংদীর মাধবদীতে দুইটি হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, অর্থ দন্ড আড়াইহাজার উপজেলা জামায়াতের হাইজাদী ইউনিয়নে ওয়ার্ড কর্মী-সম্মেলন অনুষ্ঠিত সিংড়ায় জামতলী-বামিহাল রাস্তা প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি আনু মদন পৌর সদরে কৃষকদের মাঝে ধানের বীজ বিতরণ করলেন মেয়র পদপ্রার্থী এনামুল হক কেন্দুয়ায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে হালট উদ্ধার অভিযান, বিরোধী পক্ষের লোক জন নিয়ে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ নরসিংদীতে মহাসড়কে ডিম ভেঙ্গে পোলট্রি খামারিদের প্রতিবাদ ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে দলিলকৃত জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাড়িতে আগুন ঘর বাড়ি ভাংচুর আদমদীঘিতে ধর্ষণ চেষ্টা মামলার আসামী ওসমান গ্রেপ্তার দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গঠনের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাংবাদিক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান শামীম তালুকদার (এম.এ) জনপ্রিয়তার শীর্ষে গলাচিপায় যৌথ অভিযানে ৩০টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ, আগুনে ধ্বংস

‎মিথ্যা অভিযোগে ছাত্র পিটুনি! মণিরামপুরে শিক্ষকের ‘বেপরোয়া নির্যাতন’ নিয়ে তোলপাড়

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২০ বার পঠিত

বিএম সাব্বির হাসান,মণিরামপুর(যশোর)প্রতিনিধি :-
‎যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ভরতপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক মজনুর রহমানের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে মারধর ও বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। নতুন তথ্য ও সরেজমিন পর্যবেক্ষণে অভিযোগের ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

‎অভিযোগ অনুযায়ী, ভরতপুর গ্রামের মো: আরব আলীর ছেলে মাফুজ হোসেন (১৬), দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী, তাকে স্কুলের অ্যাসেম্বলিতে চুল না কাটা এবং নির্ধারিত স্কুল ড্রেসের প্যান্ট না পরার অজুহাতে মারধর করা হয়। তবে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, চুল না কাটার অভিযোগটি সঠিক নয়। মাফুজ আগের দিনই মাথার চুল কেটে পরদিন স্কুলে গিয়েছিল বলে নিশ্চিত করেছেন পরিবার ও স্থানীয়রা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একই পরিস্থিতিতে থাকা অন্যান্য শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, বরং শুধুমাত্র মাফুজকেই টার্গেট করে শাস্তি দেওয়া হয়-যা নিয়ে ‘দ্বৈত নীতি’ ও বৈষম্যের অভিযোগ আরও জোরালো হয়েছে।

‎ঘটনার বিষয়ে ভরতপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল হামিদ মারধরের ঘটনা স্বীকার করে বলেন,
‎“আমি এসএসসি পরীক্ষার্থীদের নিয়ে নেহালপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজে ছিলাম। পরে এক শিক্ষক ফোনে বিষয়টি জানায়। এর বেশি আমি কিছু জানি না।”এদিকে বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। স্কুলের এক শিক্ষার্থী জানান, ওইদিন অ্যাসেম্বলিতে মাফুজকে শারীরিকভাবে শাস্তি দেওয়া হয়েছে-যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নীতিমালার পরিপন্থী।

‎অন্যদিকে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক মজনুর রহমানের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার এই নীরবতা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহ দানা বাঁধছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর বাড়ি পাশাপাশি হওয়ায় পূর্বের বিভিন্ন বিরোধ বা ব্যক্তিগত জেরের কারণেই এই ঘটনাটি ঘটানো হয়ে থাকতে পারে। সরেজমিনে চুলের অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় এই অভিযোগ আরও জোরদার হয়েছে।

‎ভুক্তভোগীর পরিবার এ ঘটনাকে ‘অমানবিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ আখ্যা দিয়ে দোষী শিক্ষকের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন আচরণ শুধু নীতিবিরোধী নয়, বরং শিক্ষার পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না হলে অভিভাবক ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বৃহত্তর আন্দোলনের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2026 MH News 24
Theme Customized By MH News 24