
সিলেট প্রতিনিধি ইসমাইল খান নিয়াজ
সিলেট কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পাথরকুয়ারি বন্ধ থাকায় দিন দিন বাড়ছে শ্রমিকের হাহাকার কারো ঘরে বসছে না ছুলায় পাতিল কারো দিন যাচ্ছে না চিন্তায় আর টেনশনে মানুষ মনে করছে এই পাথরকুয়ারী না খুললে হয়তো অনেক পরিবারকেই না খেয়ে দিন যাপন করতে হবে।
বিগত ফেসিস সরকারের আমলে পাথরকুয়ারী বন্ধ হয়ে যায় ক্ষমতাধর তৎকালীন মন্ত্রী ইমরান আহমেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে ক্ষুধার্ত শ্রমিকের পেটে আঘাত করা হয়, সেই আঘাতেই শ্রমিকরা প্রতিদিন না খেয়ে এতটা বছর পাড় করেছে, শ্রমিকদের স্বপ্ন ছিল হয়তো আমাদের দিন ঘুরে যাবে যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে তাই নিরবে বসে আছে শ্রমিকরা তাদের স্বপ্ন পূরনের আশায়।
এদিকে প্রবাসী কল্যাণ বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে পরিবেশ বজায় রেখে যে এলাকাগুলি রয়েছে যে জায়গায় পাথর উত্তোলন করলে পরিবেশ নষ্ট হবে না সেই জায়গায় খুলে দেওয়ার জন্য শ্রমিকরা ঝুর দাবি তুলে দরছেন।
একজন শ্রমিক বলেন আমরা না খেয়ে আর কতদিন দিন-যাপন করবো যাদের বিশাল টাকা আছে যারা বড় বড় ব্যবসায়ী তারা তো পেটে ভাত দিতে পারছে কিন্তু আমরা কি নিয়ে বাঁচবো আমাদের তো কর্মসংস্থান বন্ধ হয়ে আছে।
আরেকজন শ্রমিক বলেন আমাদের স্বপ্ন আর আশা পূরণ করার যে আমরা দেখছি হয়তো আমাদের মাননীয় মন্ত্রী আমাদের মুখের দিকে তাকিয়ে আমাদের ছেলে মেয়ে সন্তানদের কথা চিন্তা করে পরিবেশ বজায় রেখেই যে জায়গায় পাথর উত্তোলন করলে পরিবেশ নষ্ট হবে না সেই জায়গাগুলি খুলে দেওয়ার জন্য সবিনয় অনোরুদ করেন।
যখন সাংবাদিকরা ওই এলাকায় প্রবেশ করে তখন একটি চায়ের দোকানে আশ্চর্যজনক ঘঠনা চোখে পড়ে তিন বছরের একটি শিশু বাচ্চা ছুটে আসে চায়ের দোকানে দোকানে বসে থাকা একজন সংবাদ কর্মি তখন তাকিয়ে দেখে এই শিশু বাচ্চাটি একটি ছোট রুটি যার মূল্য মাত্র ৫ টাকা ছটফট করছে নেওয়ার জন্য কিন্তু মা ছুটে এসেছে তার পিছনে পিছনে বাবা টাকা নেই তোমার বাবার কাজ নেই। এই কথা বলে বাড়ির দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় সংবাদ কর্মি বাচ্চাটির হাতটি দরে বলে বাবা তুমি রুটিটি নিয়ে যাও।
ঠিক তখনি বাচ্চার মা সাংবাদিককে পশ্ন করেন আমার একটা বাচ্চাকে একটা রুটি খেয়ে হয়তো এক বেলা থাকবে আমার আর তিনটি বাচ্চা রয়েছে তারা কি খাবে এই অঞ্চলে আমার পরিবারের মতন হাজার গরিব অসহায় মানুষ তারাতো না খেয়ে দিন যাপন করছে আপনারা কেন আমাদের কথা তুলে দরেন না আমরাকি এ দেশের নাহরিক না। বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী কাছে অনুরোধ করছি আপনি আমাদের সিলেটর গর্ব আপনার কাছে পরিবেশ বজায় রেখে যে জায়গাগুলি পাথর উত্তোলন করলে ক্ষতি হবে না সেই জায়গাগুলি খুলে দেওয়ার জন্য অনোরুধ করছি। এ সময় পাথরকুয়ারীর শ্রমিকরা নিরবে চোখের জল ফেলে এই কথাগুলি সাংবাদিকদের সামনে বলেন সাংবাদিকরা তাদের কথা সুনে নিজেদের চোখে জল চলে আসে তখন একজন সংবাদ কর্মি তাদের কথা শুনে বলেন আপনাদের পক্ষে আমার কলম সর্বদায় চলবে আমি এই ক্ষুদার্থ মানুষের পক্ষে বর্তমান প্রবাসী কল্যাণ বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি এই ক্ষুদার্থ মানুষের সন্তান ও পরিবারের দিকে তাকিয়ে পরিবেশ বজায় রেখে যে জায়গায় পাথর উত্তোলন করলে পরিবেশ নষ্ট হবে না সেই জায়গাগুলি খুলে দেওয়ার জন্য সবিনয় অনোরুদ করেন এবং আপনি একজন গরীব অসহায় মানুষের বন্ধু হিসেবে সিলেটবাসির কাছে পরিচিত সেই হিসেবে এই গরীব মানুষের পাশে ধারাবেন বলে মনে করি।