1. admin@mhnews24.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:২০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নজিপুরে তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা নওগাঁয় বায়ুদূষণ রোধে মোবাইল কোর্ট, দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা নওহাটা মোড়ে তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা কেশবপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত জনসেবা, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে আলোচনায় প্রভাষক গাজী ফারুকে আজম মেহেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘সম্প্রীতি অলিম্পিয়াড’ অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট অন্তর গফরগাঁও-মাওনা সড়ক ভূমি অধিগ্রহণে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে দালাল চক্র সিলেট বিভাগের চেলানদী রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তরের পদক্ষেপ, ৩৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা ইসলামের সুমহান আদর্শ সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে দাওয়াতি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে হবে। মুফতি সৈয়দ রিয়াজ আহমদ

ঝিনাইদহে প্রকাশ্য দিবালোকে সরকারি বই বিক্রি: ধরা পড়লেন অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২০ বার পঠিত

মোঃ হামিদুজ্জামান জলিল স্টাফ রিপোর্টার।

​ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চন্ডিপুর বিষ্ণুপদ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় কয়েকশ কেজি সরকারি বই খোলাবাজারে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে এই অনিয়মের ঘটনাটি ঘটে। সরকারি বই হকারের কাছে বিক্রির সময় স্থানীয় সাংবাদিক ও প্রত্যক্ষদর্শীদের হাতে হাতেনাতে ধরা পড়েন সংশ্লিষ্টরা। ​প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অধ্যক্ষ খলিলুর রহমানের নির্দেশে এবং তার ব্যক্তিগত ফোন কলের সূত্র ধরে একজন হকার ভ্যান নিয়ে স্কুলে উপস্থিত হন। এরপর ৫ থেকে ৬টি বড় বড় বস্তায় করে প্রায় ৩০০-৪০০ কেজি সরকারি পাঠ্যবই বিক্রির উদ্দেশ্যে ওজন করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত হয়ে ঘটনাটি হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তাৎক্ষণিকভাবে বইগুলো জব্দ করে স্কুলের গোডাউনে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
​স্কুলের সহকারী শিক্ষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, অধ্যক্ষের সরাসরি নির্দেশেই বইগুলো হকারের কাছে বিক্রির জন্য আনা হয়েছিল। অনেক শিক্ষকই এই বিষয়ে কিছুই জানতেন না। তারা বিষয়টিকে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তির জন্য চরম লজ্জাজনক বলে অভিহিত করেছেন। ​অভিযুক্ত অধ্যক্ষ মোঃ খলিলুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, “আমি শুধু পুরাতন খাতা বিক্রির অনুমতি দিয়েছিলাম। সরকারি বই বিক্রির বিষয়ে আমি জানতাম না।” তবে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বাতিলকৃত বই বা খাতা বিক্রির ক্ষেত্রে যে রেজুলেশন বা শিক্ষা অফিসের পূর্বানুমতির প্রয়োজন হয়, তার কোনো প্রমাণ তিনি দেখাতে পারেননি।​উল্লেখ্য, সরকারি বিধি অনুযায়ী বাতিলকৃত বই উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কমিটির উপস্থিতিতে বিক্রি করার নিয়ম রয়েছে। চন্ডিপুর বিষ্ণুপদ স্কুল এন্ড কলেজের ক্ষেত্রে কোনো নিয়মের তোয়াক্কা না করে সরাসরি বই বিক্রির এই প্রচেষ্টাকে বড় ধরনের প্রশাসনিক অনিয়ম ও নৈতিক স্খলন হিসেবে দেখছে সচেতন মহল।​বিষয়টি সম্পর্কে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক মোঃ নোমান হোসেন অত্যন্ত কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন:​”সরকারি সম্পদ এভাবে নিয়মবহির্ভূতভাবে খোলাবাজারে বিক্রি করার কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি আমাদের নজরে আসার সাথে সাথেই আমরা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সরজমিনে গিয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাই করার জন্য পাঠানো হচ্ছে। তদন্তে যদি অধ্যক্ষ বা অন্য কারো সরাসরি সংশ্লিষ্টতা ও অপরাধের সত্যতা পাওয়া যায়, তবে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের কাছ থেকে এমন অনৈতিক আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়।”​বর্তমানে জব্দকৃত বইগুলো স্কুলের হেফাজতে থাকলেও বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2026 MH News 24
Theme Customized By MH News 24