
মেয়র ও ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীদের অংশগ্রহণে জনসম্পৃক্ততা, সাংগঠনিক কার্যক্রম ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিয়ে আলোচনা
মো. আ. কুদ্দুস, মনোহরদী (নরসিংদী) প্রতিনিধি:
২১ সেপ্টেম্বর সোমবার এশার নামাজের পর মনোহরদী দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামী থানা শাখার কার্যালয়ে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এতে মনোহরদী পৌরসভার মেয়র ও ১২টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে দলীয়ভাবে মনোনীত প্রার্থীরা অংশ নেন।
বৈঠকে মনোহরদী পৌরসভার মেয়র প্রার্থী সাংবাদিক মো. আসাদুজ্জামান নূরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় নরসিংদী জেলা জামায়াতের টিম সদস্য ও মনোহরদী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা মো. জাহাঙ্গীর আলমও উপস্থিত ছিলেন।
প্রার্থীদের নিয়ে প্রস্তুতি
বৈঠকে উপস্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন—দৌলতপুর ইউনিয়নে মাওলানা মো. সানাউল্লাহ, গোতাশিয়া ইউনিয়নে মাওলানা মো. শহীদুল্লাহ, খিদিরপুর ইউনিয়নে মাওলানা কাজী মো. ওবায়দুল হক মুদ্দাসসির, লেবুতলা ইউনিয়নে ইকবাল হোসাইন, চালাকচর ইউনিয়নে মাওলানা মো. তাজুল ইসলাম, চন্দনবাড়ি ইউনিয়নে আবুল কাশেম, চরমান্দালিয়া ইউনিয়নে মাসুম আহমেদ, শুকন্দী ইউনিয়নে অধ্যক্ষ মাওলানা শাহ মোহাম্মদ তৈয়্যব, একদুয়ারিয়া ইউনিয়নে আবুবকর সিদ্দিক, কাচিকাটা ইউনিয়নে বেলাল হোসেন, বড়চাপা ইউনিয়নে ডা. শাহজাহান পারভেজ এবং কৃষ্ণপুর ইউনিয়নে আবুল কাশেম।
বৈঠকে প্রার্থীরা নিজ নিজ এলাকার নির্বাচনী প্রস্তুতি, সাংগঠনিক কার্যক্রম, ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা ও জনগণের প্রত্যাশা নির্বাচনী প্রচারে তুলে ধরার বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রার্থীদের নিজ নিজ এলাকায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রম আরও জোরদার এবং নির্বাচনী প্রস্তুতি সমন্বয়ের লক্ষ্যেই এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
মনোহরদী উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। এসব এলাকায় মনোনীত প্রার্থীদের নির্বাচনী কার্যক্রম আগামী দিনে কীভাবে এগোয়, তা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
তবে প্রার্থীদের মনোনয়ন, নির্বাচনী প্রচার ও ভোটের ফলাফল—এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।